‘৩৪ কোম্পানির ওষুধ প্রত্যাহারের নির্দেশ ’
মানসম্পন্ন ওষুধ উৎপাদনে ব্যর্থ ২০ কোম্পানির ওষুধ বিক্রি বন্ধ নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি ১৪ কোম্পানির এন্টিবায়োটিক সরবরাহসহ বিক্রি বন্ধ। এবং এসব প্রতিষ্ঠানের বাজারে থাকা সব ওষুধ প্রত্যাহারের এই নির্দেশ দেন।
হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের এক আবেদনের শুনানি নিয়ে সোমবার (৮ আগস্ট) বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের করা এক রিটের পেক্ষিতে গত ৭ জুন হাইকোর্ট মানসম্পন্ন ওষুধ উৎপাদনে ব্যর্থ হওয়ায় ২০ কোম্পানিকে সব ধরনের ওষুধ এবং ১৪ কোম্পানিকে এন্টিবায়োটিক উৎপাদন সাতদিনের বন্ধের নির্দেশ দেয়। পরে হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করা হলে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশই বহাল রাখেন। তবে উচ্চ আদালতের আদেশের পরও উল্লেখিত কোম্পানিগুলোর ওষুধের বাজারজাত বন্ধ না হওয়ার প্রেক্ষাপটে গত ২৮ জুন সমকালে 'মানহীন ৩৪ কোম্পানির ওষুধ এখনও বাজারে' শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। ওই প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে হাইকোর্টে রিটকারী আইনজীবী মনজিল মোরশেদ এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে পুনরায় হাইকোর্টে আবেদন করলে শুনানি নিয়ে সোমবার আদেশ দেন হাইকোর্ট। যে ২০ কোম্পানির সব ওষুধ বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সেগুলো হলো— টুডে ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, ন্যাশনাল ড্রাগ ফার্মা লিমিটেড, সুনিপুণ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, ইউনিভার্সেল ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, নর্থ বেঙ্গল ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, ড্রাগল্যান্ড লিমিটেড, ডলফিন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, জালফা ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড, রিড ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, রেমো কেমিক্যালস লিমিটেড (ফার্মা ডিভিশন), ক্যাফমা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, গ্লোব ল্যাবরেটরিজ (প্রাইভেট) লিমিটেড, মেডিকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, এক্সিম ফার্মাসিউটিক্যাল, এভার্ট ফার্মা লিমিটেড, বিকল্প ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, স্পার্ক ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, স্টার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, ট্রপিক্যাল ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড এবং স্কাইল্যাব ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধের নির্দেশপ্রাপ্ত ১৪টি কোম্পানি হচ্ছে— ফার্মিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড, ব্রিস্টল ফার্মা লিমিটেড, বেঙ্গল ড্রাগস অ্যান্ড কেমিক্যালস (ফার্মা) লিমিটেড, বেলসেন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, অরবিট ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, মিল্লাত ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, ক্রিস্টাল ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, এমএসটি ফার্মা অ্যান্ড হেলথকেয়ার লিমিটেড, রাসা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, সেইভ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, আদদ্বীন ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড, এলকাড ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড ও ফিনিক্স কেমিক্যাল ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড।


