‘কর্মসংস্থান বাড়লে এসডিজির লক্ষ্যমাত্রাও বাড়বে’
কর্মসংস্থান বাড়লে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল বা এসডিজির লক্ষ্যমাত্রাও বাড়ানো সম্ভব হবে বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।
আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, আমাদের দেশে ২৯ লাখ বেকার লোক রয়েছে। এদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। এসডিজি অর্জন করতে হলে কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে। নতুবা লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো যাবে না।
তিনি বলেন, বিনিয়োগের জন্য অবকাঠামো ও গ্যাসের সমস্যা রয়েছে। আমাদের এখানে ২৭ ট্রিলিয়ন কিউবিক গ্যাস মজুদ রয়েছে। ইতোমধ্যে ১৪ ট্রিলিয়ন কিউবিক ব্যবহার হয়ে গেছে। আর ১৩ ট্রিলিয়ন বাকি রয়েছে। প্রতি বছর ১ ট্রিলিয়ন কিউবিক ব্যবহার হয়। এভাবে চলতে থাকলে কয়েক বছরের মধ্যে শেষ হবে। এ কারণে আমরা এলএমজি স্থাপন করার উদ্যোগ নিচ্ছি।
মন্ত্রী আরো বলেন, দেশে দুর্নীতি রয়েছে। তবে কি পরিমাণ দুর্নীতি হয় তা আমাদের হিসাবে নেই। তবে দুর্নীতি কমাতে আমরা কিছু উদ্যোগ নিয়েছি। এ কারণে কোন প্রকল্পের পরিচালক এক সাথে দুটি প্রকল্পে কাজ করতে পারবে না।
আমাদের এখানে ৩১ লাখ ৫০ হাজার মামলা ঝুলে আছে। এটা অস্বাভাবিক।
অনুষ্ঠানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দ মনজুর ইলাহী বলেন, এমডিজি অর্জন করতে হলে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। আমাদের এখানে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না। উচ্চ সুদের কারণে বিনিয়োগ হচ্ছে না।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, আমাদের সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে।
এতে সভাপতিত্ব করেন ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। এসময় আরও বক্তব্য রাখেন মানবাধিকারকর্মী খুশি কবির। সঞ্চালনা করেন সিপিডি’র সম্মানিত ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।


