English Version
আপডেট : ২৮ মে, ২০১৬ ১৪:৫৫

সুইফট মাধ্যমে ইকুয়েডরের এক ব্যাংক থেকে ১.২০ কোটি ডলার হাতিয়ে নেয় হ্যাকাররা

অনলাইন ডেস্ক
সুইফট মাধ্যমে ইকুয়েডরের এক ব্যাংক থেকে ১.২০ কোটি ডলার হাতিয়ে নেয় হ্যাকাররা

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মতো সুইফটের মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে এক বছর আগে ইকুয়েডরের এক ব্যাংক থেকেও এক কোটি ২০ লাখ ডলার হাতিয়ে নিয়েছিল হ্যাকাররা। সাইবার হামলার মাধ্যমে চুরি করা ওই অর্থের মধ্যে ৯০ লাখ ডলার হংকংয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়। ইকুয়েডরের ব্যাঙ্কো দেল অসত্রো (বিডিএ) থেকে চুরির বড় অর্থ হংকংয়ে নিবন্ধিত ২৩ কোম্পানির মাধ্যমে পাচার করা হয়। এ ঘটনা নিয়ে আদালতে উত্থাপিত নথি ও আদালতের আদেশের অনুলিপি পর্যালোচনা করে তৈরি প্রতিবেদন এসব তথ্য দিয়েছে রয়টার্স। ৎ

সাইবার হামলার মাধ্যমে লোপাট করা এ অর্থ পরে সেখান থেকে কোথায় গিয়েছিল, সেটি আলোকপাত করা হয়েছে আদালতের নথিতে। বিডিএ কর্তৃপক্ষ ২০১৫ সালের প্রথম দিকে হংকংয়ের আদালতে ওই কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করে। তাদের অভিযোগ, এসব কোম্পানি 'অনৈতিকভাবে গড়ে তোলা হয়েছিল'। আদালতের কাছে ওই অর্থ উদ্ধারের দাবি জানায় ব্যাংকটি।

বাকি ৩০ লাখ ডলার যেসব জায়গায় গিয়েছিল তার মধ্যে দুবাই রয়েছে বলে যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালতে জমা এক নথিতে বলা হয়েছে। অর্থ চুরির ঘটনায় হংকংয়ের পাশাপাশি নিউইয়র্কের আদালতে মামলা করেছে ইকুয়েডরের ব্যাংকটি। অর্থ ছাড়কারী প্রতিষ্ঠান ওয়েলস ফার্গোকে বিবাদী করেছে তারা। রয়টার্সের এ প্রতিবেদনে বলা হয়, সাইবার চুরির এ ঘটনায়ও সুইফট প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা হয়েছিল। বিশ্বজুড়ে ১১ হাজার ব্যাংককে যুক্ত করা সুইফট প্ল্যাটফরমের মাধ্যমেই ভুয়া বার্তা পাঠিয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে আট কোটি ১০ লাখ ডলার হাতিয়ে নেয় হ্যাকাররা। এ অর্থ ফিলিপাইনে স্থানান্তর করা হয়।