রিজার্ভ চুরি: মিশরকে তালিকাভুক্ত করেই তদন্ত
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের ব্যবহৃত কম্পিউটার ও ল্যাপটপ থেকে সন্দেহভাজন ম্যালওয়ার পাওয়া গেছে বলে জানান বাংলাদেশ পুলিশ। সন্দেহভাজন এই ম্যালওয়ার সঙ্গে মিশর সংযুক্তি। তাই রিজার্ভ চুরির সঙ্গে জড়িত হিসেবে মিশরকে তালিকাভুক্ত করেই তদন্ত নেমেছে পুলিশ।
সিঙ্গাপুরের সংবাদমাধ্যম স্ট্র্যাটস টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
তথ্য মতে, বাংলাদেশ ব্যাংকের কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা সন্দেহভাজন ম্যালওয়ারটি মিশর থেকে পাঠানো হয়েছে।
তদন্ত কর্মকর্তা শাহ আলমের বরাত দিয়ে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, রিজার্ভ চুরির কমপক্ষে ৭ ঘণ্টা আগে একটি মেইলের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের মেইন সার্ভারে ওই ম্যালওয়ারটি পাঠানো হয়েছিল। ওই মেইলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা গেছে, সেটি মিশর থেকে পাঠানো হয়েছিল।
শাহ আলম জানান, রিজার্ভ চুরির মূল হোতাকে খুঁজে বের করতে মিশরের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছি। যে আইডি থেকে মেইলটি পাঠানো হয়েছিল, মিশরের কাছ থেকে তার আইপি (ইন্টারনেট প্রটোকল) অ্যাড্রেস চেয়েছি।
তিনি আরও জানান, ফেডারেল রিজার্ভ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ চুরির বিষয়ে প্রাথমিকভাবে ফিলিপাইন এবং শ্রীলঙ্কার বিভিন্ন ব্যবসায়ী জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। রিজার্ভ চুরির সঙ্গে জড়িতদের তালিকায় তৃতীয় দেশ হিসেবে মিশরকে রেখেই তদন্ত করবে পুলিশ। সার্বিক তদন্তের কারণে এর চেয়ে বেশি তথ্য দিতে রাজি হননি ওই পুলিশ কর্মকর্তা।
এদিকে ওই ম্যালওয়ার বিষয়ে তেমন কিছু জানাতে পারেননি বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা।


