English Version
আপডেট : ২৪ মার্চ, ২০১৬ ১৪:২৫

চুরির কিছ্বুই লুকাবো না: কিম অং

নিজস্ব প্রতিবেদক
চুরির কিছ্বুই লুকাবো না: কিম অং

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ৮১ মিলিয়ন ডলার চুরিতে মুল হোতা বলে অভিযুক্ত চীনা বংশোদ্ভুত ব্যবসায়ী কিম অং তদন্ত কমিটির শুনানিতে অংশ নিতে প্রস্তত বলে জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমি ঘটনা সম্পর্কে যতটুকু জানি তার কোনো কিছ্বুই লুকাবো না।

রিজার্ভ চুরির ঘটনা তদন্তে ফিলিপাইনে গঠিত সিনেটের ব্লু রিবন কমিটির শুনানিতে আগামী ২৯ মার্চ সকাল ১১টায় তিনি অংশগ্রহণ করবেন। ফিলিপাইনের ইনকোয়্যারের প্রতিবেদকের সঙ্গে এসব কথা বলেন তিনি।

রেস্তোরার মালিক এবং জুয়া কোম্পানির অপারেটর কিম অং-কে মানি লন্ডারিংয়ের মূল হোতা বলে সিনেটের (সংসদের উচ্চ কক্ষ) সদস্য সার্জ ওসমেনা অভিযোগ করেছেন। ওসমেনার উদ্বৃতি দিয়ে গত সপ্তাহে ইনকোয়্যারের প্রতিবেদনে বলা হয়, কিম অং-ই রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের (আরসিবিসি) শাখা ব্যবস্থাপক দেগুয়িতিকে পাঁচটি অ্যাকাউন্ট খুলতে বলেছিলেন, যার চারটিতে বাংলাদেশের চুরি হওয়া আট কোটি ১০ লাখ ডলার জমা হয়।

এ অর্থ স্থানীয় মুদ্রা পেসোতে রূপান্তর করতে রেমিট্যান্স কোম্পানি ফিলরেমের কাছে পাঠাতেও বলেছিলেন কিম অং।

আরসিবিসির শাখা ব্যবস্থাপক দেগুইতি-ও সিনেট শুনানিতে ব্যবসায়ী কিম অংয়ের বিরুদ্ধে ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে ব্যাংক একাউন্ট খুলেছেন বলে অভিযোগ করেছেন। এছাড়া ব্যবসায়ী উইলিয়াম গো’র নামে কিম অং একাউন্ট খুলেছেন বলে জানান শাখা ব্যবস্থাপক। ‘ইউলিয়াম গো’ একাউন্ট থেকে পাচারকৃত অর্থ দেশটির বিভিন্ন জুয়ার আসরে চলে যায়।

তবে তার বিরুদ্ধে উঠা এসব অভিযোগকে অস্বীকার করেছেন কিম অং। বৃহস্পতিবার (২৪ মার্চ) কিম অংয়ের উদ্বৃতি দিয়ে ইনকোয়্যার ডট নেটে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এতে কিম অং বলেন,‘আমি কোথাও লুকায়নি। মেডিকেল চেকআপ শেষ করে গত রোববার আমি সিঙ্গাপুর থেকে বেলা ৪টায় ফিলিপাইনে পৌঁছেছি।’

তিনি আরসিবিসির শাখা ব্যবস্থাপকের অভিযোগের বিষয়ে বলেন, “ধরে নিলাম, আরসিবিসির ‘উইলিয়াম গো’ একাউন্ট থেকে পাচারকৃত অর্থের একটি অংশ উত্তোলন করা হয়েছে। কিন্তু এতো বড় অংকের অর্থ উত্তোলনের বিষয়টি শাখা ব্যবস্থাপক কেন অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কাউন্সিলকে অবহিত করেন নি?”