English Version
আপডেট : ১ জানুয়ারি, ২০১৬ ১৮:৩১

যমুনা গ্রুপের দুই প্রতষ্ঠিানরে বিরুদ্ধে এনবিআরের মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
যমুনা গ্রুপের  দুই প্রতষ্ঠিানরে বিরুদ্ধে এনবিআরের মামলা

আটচল্লশি কোটি টাকা রাজস্ব জালিয়াতির অভিযোগে যমুনা গ্রুপের এমকাবা ও যারা এক্সেসরিজ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের বরিুদ্ধে মামলা করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। গতকাল ঢাকা কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে রমনা থানায় এ মামলা করেন।

বৃহস্পতিবার  এনবিআরের সিনিয়র কর্মকর্তার সৈয়দ মু’মেন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

এনবিআরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৯৬৯ সালের কাস্টমস আইন, ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন ও ২০১২ সালের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় এ মামলা করা হয়েছে। যমুনা গ্রুপের সহযোগী বন্ডেড প্রতিষ্ঠান এমকাবা লিমিটেড ঢাকা কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটে কমার্স ব্যাংকের নামে প্রায় ৩১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা মূল্যর ডলার জাল প্রসেসড রিয়েলাইজেশন সার্টিফিকেট (পিআরসি) দাখিল করে। পরে তা যাচাইকালে কমার্স ব্যাংক ওই পিআরসি সম্পর্কে ভুয়া জালিয়াতির বিষয়টি লিখিতভাবে অবহিত করে। এবং যারা এক্সেসরিজ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ২০১৪ সালের ১২ ডিসেম্বর রপ্তানির প্রমাণ হিসেবে ঢাকা কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের নামে ১৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা মূল্যর ডলার একটি পিআরসি দাখিল করে। এটাও ভুয়া বলে অবহিত হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বল হয়, এনবিআর গৃহীত কর্তৃক ‘দুষ্টের দমন, শিষ্টের লালন নীতিকঠোর প্রয়োগের কারণে স্বার্থান্বেষী মহল ক্ষুদ্ধ হয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি যমুনা গ্রুপের কর ফাঁকি, শুল্ক ফাঁকি এবং জালিয়াতি উদ্ঘাটিত হয়। এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে সরকারের বিপুল পরিমাণ  রাজস্ব ফাঁকি প্রদানকারী  যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বাবুল তাঁর  মালিকানাধীন দৈনিক যুগান্তর ও যমুনা টেলিভিশন কর্তৃক জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য সম্বলিত ৭ (সাত)টি প্রতিবেদন (২৯/১০/২০১৫, ০১/১১/২০১৫, ১৮/১১/২০১৫, ২৪/১১/২০১৫, ৩০/১১/২০১৫, ০৭/১২/২০১৫ ও ০৯/১২/২০১৫) ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করে।  প্রকাশিত সংবাদগুলোর বিষয়বস্তু মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও কল্পনাপ্রসূত।   যমুনা  গ্রুপের এ ধরনের অপতৎপরতায় আশংকিত হয়ে  জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে  উক্ত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে জিডি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত ০৯/১২/২০১৫ তারিখ রমনা মডেল থানা, ঢাকায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের দ্বিতীয় সচিব (বোর্ড প্রশাসন-১) এ.এইচ.এম আবদুল করিম এর স্বাক্ষরে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, রমনা মডেল থানা, রমনা, ঢাকা বরাবরে যমুনা গ্রুপের মালিক নুরুল ইসলাম বাবুলসহ হেলাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে একটি জিডি নং- ৬২৪ এন্ট্রি করা হয়। জিডিতে উল্লিখিত যমুনা গ্রুপ এর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের রাজস্ব অনিয়মের একটি চিত্র সভায় তুলে ধরা হয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে শুল্ক ফাঁকি ও অধিকতর রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্র সমূহ অনুসন্ধানকালে যমুনা গ্রুপের সাথে সম্পৃক্ত ও সর্ম্পক ধারী দুটি প্রতিষ্ঠানের জালিয়াতি বেরিয়ে আসে।