English Version
আপডেট : ১৬ জানুয়ারি, ২০১৭ ২৩:৫০

‘বিতর্কিতরাই যদি ইসি গঠনে আইন করেন তাহলে সংলাপ হবে প্রহসনের’

নিজস্ব প্রতিবেদক
‘বিতর্কিতরাই যদি ইসি গঠনে আইন করেন তাহলে সংলাপ হবে প্রহসনের’
ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি

ঢাকা: বিতর্কিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে যাদের সংসদে বসার সুযোগ হয়েছে এতো আলোচনার পরও তাদের দিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে প্রহসনের বলে জানিয়েছেন ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি।  

সোমবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।

ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি বলেছেন, দশম জাতীয় সংসদের জনপ্রতিনিধি হয়ে যাদের সংসদে বসার সুযোগ হয়েছে তা নিয়ে বিতর্ক থাকায় এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত না হওয়াতে আইন করে নির্বাচন কমিশন গঠন করার সিদ্ধান্ত নিলে সেটি সমর্থনযোগ্য হওয়ার পর্যায়ে থাকবে না। তাহলে এমন আলোচনা, সংলাপ প্রহসনের হয়ে দাঁড়াতে পারে, যা পুনরায় রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতাকে কাছে টানবে। 

তিনি বলেন, দেশের সার্বিক রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা খুব ভাল চলছে না, সৃষ্টি হয়েছে এক ধরনের অবিশ্বাস, আস্থাহীনতা ও প্রতিহিংসা। যা একটি কল্যাণকামী রাষ্ট্রের জন্য খুব বেশী শুভ লক্ষণ নয়। রাষ্ট্রপতি বিষয়টি উপলব্ধি করে এবং এই অবস্থা থেকে উত্তরণে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসনে ব্যবস্থা করেছেন। রাষ্ট্রপতির উদ্যোগ তখনই সফল হবে যখন সরকারি দল এ বিষয়গুলোকে মেনে নিবে। 

তিনি আরো বলেন, শুধুমাত্র শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করলেই সকল সমস্যার সমাধান নয়। দলীয় সরকারের অধিনে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করা খুবই কষ্টসাধ্য। আর সেই জন্য, অবশ্যই নির্বাচন কালীন সরকারের বিষয়টি নিয়ে রাষ্ট্রপতিকে ভেবে দেখতে হবে। 

দলের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানির নেতৃত্বে ১১ সদস্য বশিষ্ট প্রতিনিধি দলে আরো ছিলেন, বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া, প্রেসিডিয়াম সদস্য আলহাজ গোলাম সারওয়ার খান, সাদ্দাম হোসেন, ব্যারিস্টার মশিউর রহমান গানি, ভাইস চেয়ারম্যান মনির এনায়েত মল্লিক, মো. ফারহানুল হক, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ শাহজাহান সাজু, মো. নুরুল আমান চৌধুরী, সম্পাদক মো. শহীদুননবী ডাবলু ও মো. কামাল ভূঁইয়া।

এসময় দলের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদের নিকট ১১ দফা প্রস্তাব তুলে ধরেন।