English Version
আপডেট : ১০ জানুয়ারি, ২০১৭ ২৩:৪৫

‘জিয়ানগরের নাম পরিবর্তন সরকারের প্রতিহিংসার আরেকটি নমুনা’

নিজস্ব প্রতিবেদক
‘জিয়ানগরের নাম পরিবর্তন সরকারের প্রতিহিংসার আরেকটি নমুনা’

ঢাকা: পিরোজপুরের ‘জিয়ানগর’ উপজেলার নাম পরিবর্তন করা সরকারের আরেকটি  রাজনৈতিক আগ্রাসী প্রতিহিংসার ঘটনা।

মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) সকালে নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। 

এসময় বিএনপির পক্ষ থেকে এই প্রতিহিংসা মূলক সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে, অবিলম্বে জিয়ানগর নাম বদলের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের আহ্বান জানানো হয়।

সরকারকে উদ্দেশে রিজভী বলেন, জনগণের শাসন যদি কখনো কায়েম হয়, তখন যদি বর্তমান বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম, বঙ্গবন্ধু সেতু, বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার এসবের নাম পরিবর্তন করে পূর্বের যে নাম ছিল তা যদি বহাল করা হয় তাহলে তখন আপনাদের বক্তব্য কী হবে? আপনারা কি দেশটাকে চিরদিনের জন্য মৌরুসিপাট্টা করে নিয়েছেন যে, ভাবছেন ক্ষমতা আর কোনদিনই ছাড়তে হবে না?

রিজভী আরো বলেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন যে, রাজধানীতে সমাবেশ করতে দেয়ার ক্ষমতা ডিএমপির। আওয়ামী লীগ নেতারা কী জনগণকে কাঁচকলার রাজনীতি শেখাচ্ছেন? জনগণ মনে হয় কিছুই বোঝেন না? ডিএমপির কাজ হচ্ছে অপরাধ দমন, গণতান্ত্রিক বিরোধী দলের অধিকার দমন নয়। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য যদি সঠিক হয় তাহলে বুঝতে হবে গণতন্ত্রের পায়ে পুলিশ বেড়ি দিয়ে রেখেছে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, যখন দেশব্যাপী অপরাধীরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে তখন সরকার ডিএমপিকে জনগণের রাজনৈতিক অধিকার দমনে ব্যবহার করছে। আওয়ামী লীগের ইচ্ছা বাস্তবায়নের যন্ত্রে পরিণত করা হয়েছে। ডিএমপি তথা পুলিশ বাহিনীকে, বেতন দেয়া হয় জনগণের ট্যাক্স থেকে, আওয়ামী লীগের তহবিল থেকে নয়। ডিএমপি বিএনপিকে ৭ জানুয়ারি সমাবেশ করতে দেয়নি সেটি আওয়ামী নেতারা না বুঝলেও জনগণ ঠিকই বোঝে এটা কাদের ইঙ্গিতে হয়েছে।

উল্লেখ্য ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তার গুলশানের অফিসে দাঁড়িয়ে বলে ছিলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে গোপালগঞ্জে নাম বাংলাদেশের মানচিত্র থেকে মুছে ফেলা হবে।