English Version
আপডেট : ৫ জানুয়ারি, ২০১৭ ১১:২২

'৫ জানুয়ারি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত দিবস'

অনলাইন ডেস্ক
'৫ জানুয়ারি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত দিবস'

নিউজ ডেস্ক: জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি শফিকুর রহমান বলেছেন, বর্তমান কর্তৃত্ববাদী সরকার ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দেশের জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে নির্বাচনের প্রহসনের নাটক মঞ্চস্থ করে গণতন্ত্র হত্যা করেছে। এ দিনটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। বুধবার এক বিবৃতিতে তিনি একথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে ১৫৩ জন সংসদ সদস্যকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছিল, যা সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে কোনো নজির নেই। ৪৭টি ভোটকেন্দ্রে কোনো ভোটারই ভোট দিতে যায়নি। সেই নির্বাচনের প্রহসন থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত দেশে উপজেলা, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ ও জেলা পরিষদ নির্বাচন পর্যন্ত প্রায় সব নির্বাচনই ছিল ভোটারবিহীন একতরফা সাজানো প্রহসনের নাটক। এসব নির্বাচন থেকেই প্রমাণিত হয়েছে, বর্তমান সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনই অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে না।

শফিকুর রহমান বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির প্রহসনের নির্বাচনের সময় সরকার বলেছিল, ‘এ নির্বাচন শুধুমাত্র সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষার নির্বাচন। পরবর্তী সময় সব দলের অংশগ্রহণে দেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হবে।’ কিন্তু সরকার সে প্রতিশ্রুতি আজও পালন করেনি। বরং নির্বাচন ব্যবস্থাকেই ধ্বংস করে দিয়েছে। ফলে বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচনের প্রতি জনগণের আস্থা নষ্ট হয়ে গেছে।

জামায়াতের এ নেতা বলেন, বর্তমান সরকারের দু:শাসনে দেশের জনগণ অতিষ্ঠ। এ অবস্থা থেকে জাতিকে উদ্ধারের জন্য নিরপেক্ষ সরকার ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধীনে সব দলের অংশগ্রহণে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। তাই জাতিকে এ দু:সহ অবস্থা থেকে উদ্ধারের লক্ষ্যে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার জন্য তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

এমপি লিটন হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়ানোর প্রতিবাদ গাইবান্ধা-১ আসনের আওয়ামী লীগের দলীয় সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনের হত্যার সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য-প্রণোদিত ভিত্তিহীন মিথ্যা বক্তব্য প্রদান করা থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি হামিদুর রহমান আযাদ।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, লিটনের প্রকৃত হত্যাকারীদের বাঁচানোর উদ্দেশ্যেই আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা ও তাদের সমর্থক কতিপয় সংবাদপত্র এবং কোনো কোনো মিডিয়া জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে মিথ্যা এবং কাল্পনিক বক্তব্য প্রচার করছে। বিজ্ঞপ্তি।