English Version
আপডেট : ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৬ ০০:৫৭

জামিনে মুক্ত মুফতি ইজাহারুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
জামিনে মুক্ত মুফতি ইজাহারুল ইসলাম
আল্লাম মুফ্তি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী

হেফাজতের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি ইজাহারুল ইসলাম গ্রেফতারের প্রায় দেড় বছর পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে মুক্তি দেয়া হয়।

ইজাহারের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার জানিয়েছেন, মুফতি ইজাহারের বিরুদ্ধে ৪টি মামলা ছিল। সব মামলায় তিনি হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন।

২০১৫ সালের ৭ আগস্ট দুপুরে নগরীর লালখানবাজার জামেয়াতুল উলুম আল ইসলামিয়া মাদরাসা থেকে হেফাজতের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি ইজাহারুল ইসলামকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে খুনসহ পৃথক তিনটি মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত ছিল।

২০১৩ সালের ৭ অক্টোবর নগরীর লালখানবাজারে মুফতি ইজাহারুল ইসলাম পরিচালিত জামেয়াতুল উলুম আল ইসলামিয়া মাদাসায় বিস্ফোরণে তিনজন মারা যায়। এ ঘটনায় পুলিশ নগরীর খুলশী থানায় বিস্ফোরক আইনে, এসিড নিয়ন্ত্রণ আইনে এবং খুনের অভিযোগে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেন।  তিনটি মামলার অভিযোগপত্র দাখিলের পর আদালত অভিযোগ গঠন করেছেন। মামলাগুলো এখন বিচারের পর্যায়ে আছে। গ্রেফতারের পর মুফতি ইজাহারের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এদিকে মঙ্গলবার মুক্তি পাওয়ার পর লালখান বাজার মাদরাসায় তাকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। সভায় জামিনে মুক্ত আল্লামা মুফতি ইজহারুল ইসমলাম চৌধুরী বলেন, সত্য এবং ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেয়ায় জুলুমের শিকার হয়েছি। জামেয়ার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে উক্ত সংবর্ধনা সভায় সভাপতিত্বে করেন জামেয়ার শিক্ষা পরিচালক আল্লামা মুফ্তি হারুন ইজাহার চৌধুরী।

সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আল্লাম মুফ্তি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, নাস্তিকরা মহান আল্লাহ ও রসূলের শানে বেয়াদবি করেছে কিন্তু এ দেশের আলেম ওলামারা তার প্রতিবাদ করার কারণে আল্লাহপাকের গজব থেকে দেশবাসী রক্ষা পেয়েছে। নাস্তিক মুরতাদদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া ঈমানি দায়িত্ব।

সংবর্ধনা সভা পরিচালনা করেন ঢাকা আরমানিটোল মিজবাহুল উলুম মাদরাসার অধ্যক্ষ আল্লামা মুছা বিন ইজহার। সভায় বক্তব্য রাখেন আল্লামা মুফ্তি রহিম উদ্দিন, মাওলানা জালাল উদ্দীন, জামেয়ার প্রধান মুহাদ্দিস আল্লামা নুরুল হক, মাওলানা মোঃ হাছান নজীব, আজিজুল হক আল আরবী, আলী হাসান প্রমুখ।