English Version
আপডেট : ২০ ডিসেম্বর, ২০১৬ ০৩:৩৪

বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরবেন: খালেদা জিয়া

অনলাইন ডেস্ক
বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরবেন: খালেদা জিয়া

আগামী ২২ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটাররা নীরব ভোট বিপ্লব ঘটাবেন এবং বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। 

তিনি বলেন, ‘সারাদেশের মতো নারায়ণগঞ্জের অধিবাসী এবং বিরোধী দলের নেতাকর্মীরা জুলুম, নির্যাতন, গুম, খুন, হামলা, মামলা, হয়রানি, দখল, দলীয়করণ, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, সন্ত্রাসসহ নানা ধরনের অন্যায়ের শিকার। আপনাদের এক-একটি ভোট হবে এসবের বিরুদ্ধে এক-একটি বলিষ্ঠ প্রতিবাদ। নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে আমরা নারায়ণগঞ্জের বিশিষ্ট আইনজীবী, সজ্জন ও সাহসী ব্যক্তি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানকে মেয়র পদে মনোনয়ন দিয়েছি। তিনি সজ্জন। আপনারা তাকে নির্ভয়ে ভোট দেবেন। 

সোমবার রাতে খালেদা জিয়ার প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে তিনি এই আহ্বান জানান।

বেগম খালেদা জিয়া বলেন, ‘মেয়র পদে আমাদের প্রার্থী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানের মার্কা ‘ধানের শীষ’। এই ‘ধানের শীষ’ মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ও জিয়াউর রহমানের ‘ধানের শীষ’। এই প্রতীক বিএনপির প্রতীক, আমার প্রতীক। এই ‘ধানের শীষ’ সন্ত্রাস ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের। ‘ধানের শীষ’ শান্তি, উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রতীক। এই ‘ধানের শীষ’ স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে সংহত করা, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং জনগণের অধিকার রক্ষার প্রতীক। 

আমি আশা করি, নারায়ণগঞ্জবাসী আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ‘ধানের শীষে’ ভোট দিয়ে এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানকে মেয়র নির্বাচিত করবেন। আমি অনুরোধ জানাই, আমাদের মনোনীত কাউন্সিলার প্রার্থীদেরকেও একইভাবে নির্বাচিত করবেন। 

তিনি আশাবাদ প্রকাশ করে বলেন, ‘দল-জোটের নেতাকর্মী ও জনগণ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত করতে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন এবং নির্বাচন শেষে বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরবেন।

খালেদা জিয়া বলেন, ‘সম্প্রতি বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ড, গুম, খুন ও সন্ত্রাসের কারণে নারায়ণগঞ্জে সাধারণ মানুষ আতঙ্কের মধ্যে বসবাস করেন। সে কারণে আমরা দাবি করেছিলাম, আপনারা যেন পছন্দের প্রার্থীকে নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন এবং কোনও রকম হুমকির মুখে পড়তে না হয়, তার জন্য সেনা মোতায়েন করা হোক। আমাদের দাবি মানা হয়নি। এখন পর্যন্ত সরকার সমর্থিতদের দ্বারা বিরোধীদলের প্রার্থীদের কিছু ভয়ভীতি প্রদর্শন ও নির্বাচনি প্রচারে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটলেও বড় ধরনের কোনও সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটেনি। আমি নির্বাচন কমিশন, স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ক্ষমতাসীন দল ও ক্ষমতাসীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, ভোটের দিন ও এর আগে-পরে পুরো নারায়ণগঞ্জে যেন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন পরিবেশ বজায় থাকে।’