English Version
আপডেট : ৭ ডিসেম্বর, ২০১৬ ২৩:১৭

পাকিস্তানের পতাকার ওপর ভিত্তি করে লুই আই কানের নকশা

নিজস্ব প্রতিবেদক
পাকিস্তানের পতাকার ওপর ভিত্তি করে লুই আই কানের নকশা

পাকিস্তানের পতাকার ওপর ভিত্তি করে আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে বিশ্ববিখ্যাত স্থপতি লুই আই কান এই নকশা করেছেন বলে দাবি করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ফখরুল বলেন, পাকিস্তানের পতাকা পুনর্স্থাপন করতেই সরকার জিয়াউর রহমানের মাজার সরানোর ষড়যন্ত্র করছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে ‘স্বৈরাচার পতন ও গণতন্ত্র মুক্ত দিবস’ উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, লুই আই কান কখন, কিভাবে কোন পরিস্থিতিতে নকশা করেছে তা আমাদের জানতে হবে। তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় ডিক্টেটর আইয়ুব খান ঢাকায় পাকিস্তানের দ্বিতীয় রাজধানী করতে চেয়েছিলো। তিনি ফার্মগেটের এই জায়গাটিকে বেছে নিয়েছিল। আইয়ুব নগর নাম দিয়ে সংসদ ভবন, কেন্দ্রীয় সরকার স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিলেন। পরবর্তিতে আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে বিশ্ববিখ্যাত স্থপতি লুই আই কানকে বেছে নেয়া হয়। পরে পাকিস্তানের পতাকার ওপর ভিত্তি করে তিনি এই নকশা করেন বলে দাবি করেন ফখরুল।

সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, পাকিস্তানের পতাকাকে রক্ষা করার জন্য নকশা অনুযায়ী অন্যান্য স্থাপনা উচ্ছেদ করতে চান কি না এ প্রশ্নের জবাব দিতে হবে। আজকে শুধু শহীদ জিয়ার মাজার বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দিতে চান? গণভবন, বঙ্গবন্ধু কনভেনশন সেন্টার, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এই নকশায় আছে কিনা জানিনা। এসব স্থাপনাও তুলে দিতে হবে। প্রয়োজনে তাই হবে।’

রোহিঙ্গা ইস্যুতে তিনি বলেন, ‘কতটা অমানবিক হলে শিশুরা আশ্রয়ের জন্য প্রাণ বাঁচাতে আসলে আমরা তাদের ফিরিয়ে দেই। সম্পূর্ণ মানবিক কারণে সরকারের উদ্দেশ্যে বলতে চাই,  মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের সাময়িক সময়ের জন্য আশ্রয় দেন এবং তাদের স্বসম্মানে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য মিয়ানমার ও বিশ্ববাসীর কাছে চাপ দেন।’

নির্বাচন কমিশন নিয়ে বেগম খালেদা জিয়ার প্রস্তাবের প্রসঙ্গ টেনে রাষ্ট্রপতির উদ্দেশ্যে ফখরুল বলেন, ‘অতীতে আপনি সার্চ কমিটি গঠন করেছিলেন কিন্তু সেই কমিটি নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে ফেলেছে। আমরা সবার অংশগ্রহণে ও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন চাই।’

মির্জা ফখরুলের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন- ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন শামসুজ্জামান দুদু, আমান উল্লাহ আমান, আবুল খায়ের ভুইয়া, হাবিবুর রহমান হাবিব, খায়রুল কবির খোকন, নাজিম উদ্দিন আলম, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল প্রমুখ।