English Version
আপডেট : ১০ আগস্ট, ২০১৬ ১৬:৫২

শিক্ষক শ্যামলকে লাঞ্ছনা পুনরায় তদন্তের নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক
শিক্ষক শ্যামলকে লাঞ্ছনা পুনরায় তদন্তের নির্দেশ

নারায়ণগঞ্জের স্কুল শিক্ষক শ্যামল কান্তিকে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় পুলিশ প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করতে ব্যর্থ হয়েছে মন্তব্য করে পুরো বিষয়টি একজন বিচারককে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। তিন মাস আগের ওই ঘটনা তদন্ত করে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমকে আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের এক আবেদনের শুনানি করে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাসের হাই কোর্ট বেঞ্চ বুধবার (১০ আগস্ট) এ আদেশ দেয়।

নারায়ণগঞ্জের স্কুলশিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে লাঞ্ছনায় মন্ত্রী থেকে শুরু করে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ এ কে এম সেলিম ওসমানের শাস্তি দাবি করলেও পুলিশ তদন্ত করে আদালতকে জানায়, তারা ওই ঘটনায় এই সংসদ সদস্যের কোনো দোষ পায়নি।

নারায়ণগঞ্জের যে বিচারক পুলিশের ওই প্রতিবেদন নথিভুক্ত করে রাখেন, তিনি ‘বিচারিক মন প্রয়োগ করেননি’ বলেও আদেশে উল্লেখ করেছে হাইকোর্ট।

আদালত জানিয়েছে, আগামী ৬ নভেম্বর বিষয়টি আবার শুনানির জন্য আসবে।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, ৮ মে পিয়ার সাত্তার লতিফ উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে শাসন করার সময় শ্যামল কান্তি ধর্ম সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে ১৩ মে বিদ্যালয়ে পরিচালনা কমিটির সভা চলার সময় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে তাঁর শাস্তির দাবিতে লোক জড়ো করা হয়। এরপর উত্তেজিত লোকজন তাঁকে মারধর করে।

প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিরা জানান, জাতীয় পার্টির সাংসদ এ কে এম সেলিম ওসমান ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে প্রধান শিক্ষককে মারধর ও কান ধরে ওঠবস করানো হয়।