সরকারের ইচ্ছাপূরণের জন্য তারেকের সাজা
সরকারের ইচ্ছাপূরণের জন্য উচ্চ আদালত বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সাজা দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।
রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) দুপুরে তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী এ অভিযোগ করেন।
প্রতিক্রিয়ায় রিজভী আরো বলেন, জাতীয়তাবাদী শক্তি ও জিয়া পরিবারকে ধ্বংস করার সরকারের নীলনকশার অংশ হিসেবে তারেক রহমানকে এ সাজা দেওয়া হয়েছে। ১/১১ সরকার সম্পূর্ণ অবৈধভাবে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছিল।
দুর্নীতির কোন লেশমাত্র ছিল না তারেক রহমানের বিরুদ্ধে। দুর্নীতির সাথে তিনি যুক্ত না থাকায় তিনি নিম্ন আদালত থেকে খালাস পান। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে দুদকের মাধ্যমে আপিল করে তারেককে সাজা দেওয়া হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
এসময় উপস্থিত ছিলেন-বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, নির্বাহী কমিটর সদস্য বেলাল আহমেদ, মহানগর বিএনপি নেতা ইউনুছ মৃধা, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, ছাত্রদলের দফতর সম্পাদক আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী প্রমুখ।
অর্থ পাচারের দায়ে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দোষী সাব্যস্ত করে ৭ বছরের জেল ও ২০ কোটি টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। একই সঙ্গে তার বন্ধু গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের ৭ বছরের কারাদণ্ড বহাল ও ২০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি আমির হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ দুদকের আপিল গ্রহণ করে এ রায় ঘোষণা করেন।
এই মামলায় ২০১৩ সালের ১৭ নভেম্বর তারেক রহমানকে বেকসুর খালাস দেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালত। একইসঙ্গে তার বন্ধু গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে অর্থপাচার মামলায় ৭ বছরের কারাদণ্ডাদেশ ও ৪০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়। পাচার করা ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৬১৩ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দেন আদালত।


