English Version
আপডেট : ১৭ জুলাই, ২০১৬ ১৫:০৯

গুলশান হামলার মূল হোতা ভারতে!

অনলাইন ডেস্ক
গুলশান হামলার মূল হোতা ভারতে!

গুলশান হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত পাঁচ আইএস জঙ্গি ভারতের কেন্দ্রীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সিবিআইর হাতে আটক হয়েছে। এর মধ্যে আছে বাংলাদেশ ও ভারতে আইএসের কর্মকাণ্ড বিস্তারের উদ্দেশ্যে সিরিয়া থেকে উপমহাদেশে আসা অন্যতম জঙ্গি নেতা আবু আল মুসা আল বাঙ্গালী ওরফে মোহাম্মদ মসিউদ্দিন ওরফে মুসা। গুলশান হামলার এক সপ্তার মাথায় ৮ জুলাই তাদের আটক করে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা। আটক এই জঙ্গিদের কাছ থেকে ইতিমধ্যে নানান গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও বের করেছে ভারতীয় সংস্থাগুলো। 

মুসা জানায়, ভারতে থাকা ‘ওস্তাদের’ নির্দেশে ন্যুনতম তিনজনকে হত্যার মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছিল সে। মুসার এমন বক্তব্যের পরে গুজব শোনা যাচ্ছিল, গুলশান হামলার মূল হোতা ভারতেই অবস্থান করছে। তবে এই গুজবের তেমন কোনো ভিত্তি ছিল না। কিন্তু গতকাল বাংলাদেশের একটি পত্রিকার সংবাদের বরাত দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, গুলশান হামলার মূল হোতা এখন ভারতেই অবস্থান করছে।

টাইমস অব ইন্ডিয়া বলছে, কিছু দিন আগে আটক জঙ্গি মুসার স্বীকারোক্তি দিয়েছে যে, সুলেমান নামের একজন গুরুকে সে মালদহে রেখে আসে। সেখানে তিনি তরুণদের দীক্ষা দিতেন। মুসা নিজেও সেখানে তার সঙ্গে সাত মাস অবস্থান করে।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বাংলাদেশের পত্রিকাটির বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, তদন্ত কর্মকর্তারা জেনেছেন, গুলশান হামলার মূল পরিকল্পনাকারী এখন পশ্চিমবঙ্গের কোনো এক জেলায় অবস্থান করছেন।

এমন ধারণার যুক্তিতে বলা হয়েছে, গুলশান হামলায় জড়িতদের একজনের মুসার সাথে সখ্যতা ছিলো সেটা জানা গেছে। এছাড়া সম্প্রতি জানা গেছে জঙ্গিদের একটা বড় অংশ বাংলাদেশ-ভারতের সীমান্তবর্তী জেলায় অবস্থান করতো। সেখান থেকে তারা নিয়মিত সুলেমান বা মুসার সঙ্গে যোগাযোগ করতো।

এদিকে গত ৯ জুলাই থেকে বাংলাদেশে নিখোঁজ সন্দেহভাজন তরুণদের খোঁজে বাংলাদেশ লাগোয়া মালদহ সীমান্ত এলাকায় তল্লাসি শুরু করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। সঙ্গে যোগ দিয়েছে দেশটির বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা।

সীমান্ত লাগোয়া ভারতের গ্রামগুলিতে শুরু হয়েছে চিরুনি তল্লাসি। নিখোঁজ তরুণদের পাসপোর্ট ও ছবি দিয়ে লাগানো হয়েছে পোস্টার। বড়সড় কোনো নাশকতার আগে এদের আটক করাই এখন দুদেশের গোয়েন্দাদের প্রধান লক্ষ্য।

এদিকে বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিজিবি-ও সীমান্ত এলাকায় কড়া নজর রাখছে। বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সহায়তা করছে বিএসএফকে।

Source: thebengalitimes