English Version
আপডেট : ১৭ মে, ২০১৬ ১৮:৪৯

বিভ্রান্তী ছড়ানোর অভিযোগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবী

আল-মামুন
বিভ্রান্তী ছড়ানোর অভিযোগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবী

বান্দরবানের নাক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ভদন্ত উ:গাইন্দা ভিক্ষু হত্যাকান্ডের ঘটনায় সরকারের দায়িত্বশীল ব্যাক্তিরা বিভ্রান্তী ছড়ানোর অভিযোগ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবী করেছে বাংলাদেশ পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ ও ভিক্ষু এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশসহ পাহাড়ের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বি উপজাতীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

মঙ্গলবার (১৭ মে) সকাল ৯টায় খাগড়াছড়ি প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে ভিক্ষু সংঘসহ বিভিন্ন সংগঠনের বক্তরা এ দাবী জানান।  

পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ভদন্ত মুক্তিপদ থেরর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন-পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ’র সভাপতি অগ্রজ্যোতি মহাথের, পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ’র খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সভাপতি-সত্যনন্দ মহাথের,খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা চেয়ারম্যান চঞ্চুমনি চাকমা,বাংলাদেশ মারমা ঐক্য পরিষদ সভাপতি কংচাইরী মারমা,খাগড়াছড়ি প্রেস ক্লাব সভাপতি জীতেন বড়ুয়া,পেড়াছড়া ইউপি চেয়ারম্যান তপন ত্রিপুরা ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জুম্ম শরণার্থী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক সন্তোষিত চাকমা বকুল প্রমুখ।

বক্তরা মানববন্ধনে ভিক্ষু হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে বৈশাখী পূর্ণিমার সার্বজনীন উৎসব বর্জনের ঘোষনা দিয়ে বলেন,দেশে সকল ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে চায়। সারাদেশে একের পর এক সংখ্যালগুসহ ধারাবাহিক হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে আসলেও সরকার চুপ করে আছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন নেতৃতৃন্দরা।  

 দেশের মানুষ বর্তমানে নিজের বাড়ীতেও নিরাপদ উল্লেখ করে দেশব্যাপী হত্যাযজ্ঞের খতিয়ান তুলে ধরেন বক্তরা। এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে শান্তি প্রিয় ধর্মগুরুরাও প্রতিহিংসার শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেন। এ ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য দায়িত্বহীনতার পরিচয় বলে ক্ষোভ প্রকাশ করে ভিক্ষু হত্যার সুষ্ট তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী জানানো হয়।

পার্বত্য চট্টগ্রামে সকল জাতী ধর্মের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ,পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি অনুযায়ী উপজাতি অধ্যুষিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা, তিন পার্বত্য জেলায় বেদখলকৃত বৌদ্ধ মন্দির ও অনাথ আশ্রম উদ্ধার করা ও বান্দরবান জেলা থেকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সরকারিভাবে তালিকা করে অবিলম্বে বহিষ্কারসহ বৌদ্ধ ভিক্ষু ধাম্মা ওয়াসা হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারসহ পাঁচ দফা দাবিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।