English Version
আপডেট : ১০ মে, ২০১৬ ১৯:৪৮

কারাগারের অাশেপাশের নিরাপত্তা জোরদার

অনলাইন ডেস্ক
কারাগারের অাশেপাশের নিরাপত্তা জোরদার

মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামীর রায় কার্যকরকে কেন্দ্র করে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের আশপাশে এলাকায় মঙ্গলবার (১০ মে) বিকেল থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। করাগারের মূল ফটকের পূর্ব, পশ্চিম ও দক্ষিণ দিকের রাস্তা সাধারণ যানবাহন চলাচল সীমিত করে দেওয়া হয়েছে।

সরেজমিনে এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ট্রাকে করে কারাগারের আনা বাড়তি ব্যারিকেড রাস্তায় বসানো হচ্ছে। কারাগার ফটকের সামনের রাস্তার যান চলাচল কমিয়ে আনতে বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করতে চালকদের নির্দেশনা দিচ্ছেন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা।

এর মধ্যে বিকেল সাড়ে ৫টায় কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করেছেন জেল সুপার জাহাঙ্গীর কবির। র‍্যাব-১০ ডিএডি খায়ের বলেন, বিকেল ৫টার পর থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে।

এ মুহূর্তে র‌্যাব-১০ এর চার প্লাটুন র‌্যাব সদস্য কারাগার এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে নিয়োজিত রয়েছেন। প্রয়োজনে আরো র‌্যাব সদস্য বাড়ানো হবে।

মঙ্গলবার দুপুরে নিজামীর ফাঁসি কার্যকরের জন্য কাশিমপুর কারাগার থেকে ৮ জল্লাদকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয়।

এর আগে রোববার রাত ১২টার দিকে কাশিমপুর কারাগার থেকে কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয় নিজামীকে। এখন তিনি কনডেম সেলে রয়েছেন। এদিকে ফাঁসি বহাল রেখে রিভিউ আবেদন খারিজের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি সোমবার রাতে কারাগারে পৌঁছানোর পর তা নিজামীকে পড়ে শোনানো হয়েছে।

এছাড়াও রাতেই তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। নিজামীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পূর্ণ করেন চিকিৎসক বিপ্লব কান্তি দাস।

তিনি জানান, নিজামী শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন। তার রক্তচাপ প্রেসার স্বাভাবিক রয়েছে।

একাত্তরে হত্যা, ধর্ষণ ও বুদ্ধিজীবী গণহত্যার দায়ে আপিল বিভাগের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেছিলেন জামায়াতের আমির নিজামী। প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ বৃহস্পতিবার ওই আবেদন খারিজ করে দেন। ফলে আগের রায়েই বহাল থাকে নিজামীর।

২০১০ সালের ২৯ জুন ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের একটি মামলায় মতিউর রহমান নিজামীকে গ্রেফতার করার পর একই বছরের ২ আগস্ট তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।