English Version
আপডেট : ১২ আগস্ট, ২০২১ ১৬:০৬

করোনা পরিস্থিতির অবনতি হলে ফের বিধিনিষেধ

অনলাইন ডেস্ক
করোনা পরিস্থিতির অবনতি হলে ফের বিধিনিষেধ

মহামারি করোনাভাইরাসের পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে দেশে ফের কঠোর বিধিনিষেধ (লকডাউন) আরোপ করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

করোনার সংক্রমণ রোধে গত বছর প্রথমবারের মতো বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার। এরপর আরও কয়েক দফায় বিধিনিষেধ আরোপ করার পর তা শিথিল করা হয়। সংক্রমণ পরিস্থিতি বাড়তে থাকলে গত ১ জুলাই থেকে চলাচলে আবারও বিধিনিষেধ শুরু হয়। মাঝে ঈদের সময় আট দিনের জন্য বিধিনিষেধ শিথিল করার পর ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত আবারও বিধিনিষেধ জারি হয়। এ দফার বিধিনিষেধ চলাকালে পোশাক কারখানাসহ সব ধরনের শিল্পকারখানা ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়। জরুরি সেবা, গণমাধ্যম ও খাদ্য উৎপাদনে সংশ্লিষ্ট পরিবহন ছাড়া সব ধরনের গণপরিবহনও বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরে তা আরেক দফা বাড়িয়ে ১০ আগস্ট পর্যন্ত করা হয়।

পরে শিল্প মালিকদের দাবির মুখে ১ আগস্ট থেকে খুলে দেয়া হয় রপ্তানিমুখী কারখানাগুলো। এরপর ৬ আগস্ট থেকে ফ্লাইট চালু করা হয় অভ্যন্তরীণ রুটে। এরপর ১১ আগস্ট থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সরকারি-বেসরকারি অফিস ও গণপরিবহন চালুর মাধ্যমে বিধিনিষেধ প্রায় পুরোটাই তুলে নেয়া হয়েছে।

করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির আরও খারাপ হলে সরকারের পরবর্তী কৌশল কী হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুটি কৌশলই আমরা অবলম্বন করব। একটা হলো বিধিনিষেধ বা লকডাউন দেয়া। আরেকটি হচ্ছে ছেড়ে দেয়া। কিন্তু সবাইকে মাস্ক পরতে হবে।

সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে ফরহাদ হোসেন বলেন, আক্রান্ত বাড়তে থাকলে এবং মানুষ না মানলে আবার লকডাউন দেয়া হবে। পৃথিবীর যেকোনো দেশে বাড়লেই, যেমন অস্ট্রেলিয়াতে সেনাবাহিনী নামানো হয়েছে, কারফিউ দেয়া হয়েছে। আমেরিকাতে দেয়া হয়েছে। দেয়া হচ্ছে কেন? কারণ এর কোনো বিকল্প নেই।