English Version
আপডেট : ৩১ জুলাই, ২০২১ ১০:২৯

ঢাকার বাইরের গার্মেন্টকর্মী ও শ্রমিকদের উদ্দেশ্য যে নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকার বাইরের গার্মেন্টকর্মী ও শ্রমিকদের উদ্দেশ্য যে নির্দেশ

দেশজুড়ে চলমান কঠোর লকডাউনের মধ্যেই আগামীকাল ১ আগস্ট (রোববার) থেকে গার্মেন্টসসহ রপ্তানিমুখী শিল্প-কারখানা স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা থাকবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। তবে ঈদের ছুটি ও লকডাউনের জন্য ইতিমধ্যে যেসক শ্রমিক, গার্মেন্টকর্মীরা ঢাকার বাইরে অবস্থান করছেন তাদেরকে ৫ আগস্টের পর কাজে যোগ দেয়ার অনুরোধ অনুরোধ জানিয়েছেন বিজিএমই।

সংগঠনটি জানায়, বিধিনিষেধের কারণে বেশিরভাগ শ্রমিক এখনো তাদের গ্রামের বাড়িতে রয়েছেন। লকডাউনের কারনে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় সব শ্রমিকের পক্ষে রোববার কাজে যোগ দেওয়া সম্ভব হবে না। তাই ঢাকার বাইরের শ্রমিকদের ৫ আগস্টের পর কাজে যোগ দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন বিজিএমই। এ সময়ের মধ্যে যেসব শ্রমিক কাজে যোগ দিতে পারবেন না তাদের চাকরি থেকে ছাঁটাই করা হবে না বলেও জানায় সংগঠনটি।

এর আগে শিল্প কারখানা খুলে দিতে অনুরোধ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব বরাবর দফায় দফায় চিঠি দিয়েছিল বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সঙ্গে দেখা করেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই, বিজিএমইএসহ বেশ কয়েকটি সংগঠনের নেতারা। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল শুক্রবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক প্রজ্ঞাপনে রপ্তানিমুখী কারখানাকে ১ আগস্ট সকাল ৬টা থেকে বিধিনিষেধের আওতাবহির্ভূত রাখার সিদ্ধান্ত জানায়।

শুক্রবার (৩০ জুলাই) বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপ-সচিব মো. রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে চলমান বিধি-নিষেধের মধ্যে আগামী ১ আগস্ট থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে রপ্তানিমুখী সকল শিল্প ও কল-কারখানা খোলা থাকবে।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে গত ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ১৪ দিনের জন্য কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার। এই বিধি নিষেধের মধ্যে মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণসহ যানবাহন, দোকানপাট, শপিংমল এবং গার্মেন্টস ও শিল্প কারখানা বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে ঈদের পর থেকেই শিল্প-কারখানা খোলার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে আসছিলেন শিল্প-কারখানার মালিকরা। ওই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আজ গার্মেন্টসসহ রপ্তানিমুখী শিল্প-কারখানা স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলার সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।