English Version
আপডেট : ৯ মে, ২০২১ ১৪:৪০

দেশবরেণ্য পরমাণু বিজ্ঞানী ওয়াজেদ মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী আজ

অনলাইন ডেস্ক
দেশবরেণ্য পরমাণু বিজ্ঞানী ওয়াজেদ মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী ও দেশবরেণ্য পরমাণু বিজ্ঞানী প্রয়াত ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার ৭৭তম জন্মবার্ষিকী আজ। তিনি ১৯৪২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার লালদিঘীর ফতেহপুর গ্রামের মিয়া পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

বাবা আবদুল কাদের মিয়া ও মা ময়জুনেসার চার ছেলে ও তিন মেয়ের মধ্যে ওয়াজেদ মিয়া ছিলেন সবার ছোট। ১৯৬১ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের (সম্মান) পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন এবং ১৯৬২ সালে স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হন। প্রতিবছর দিবসটি পালনে রংপুর পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী লীগের সকল সহযোগী সংগঠন, মহাজোটের শরীক দলসমুহ এবং ড. এমএ ওয়াজেদ ফাউন্ডেশন বিজ্ঞানীর কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি, ফাতেহা পাঠ ও জিয়ারত, স্মৃতিচারণ, মিলাদ মাহফিল ও গরিবদের মাঝে খাবার বিতরণসহ নানাবিধ কর্মসুচি পালন করে থাকে।

এ বছর করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় সকল আনুষ্ঠানিকতা স্থগিত করা হয়েছে। তবে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে শ্রদ্ধাঞ্জলিসহ ফাতেহা পাঠ ও জিয়ারতে বাধা দেয়া হবে না বলে জানা, প্রয়াত বিজ্ঞানীর ভাতিজা জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও ড.এমএ ওয়াজেদ ফাউন্ডেশন পীরগঞ্জের চেয়ারম্যান একেএম ছায়াদত হোসেন বকুল।

তিনি বলেন, মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিভিন্ন এতিমখানায় ইফতার সামগ্রী প্রদান করা হবে।

ড. ওয়াজেদ অনেক জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানবিষয়ক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। তার অনেক গবেষণামূলক ও বিজ্ঞানবিষয়ক প্রবন্ধ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পত্রপত্রিকায় এবং সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। তার লেখা বই এবং অভিসন্দর্ভ পড়ানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে।

ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি ১৯৬৭ সালের ১৭ নভেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় মেয়ে শেখ হাসিনার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের এক ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং এক মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল।

বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের অধিকারী এই বিজ্ঞানী ২০০৯ সালের ৯ মে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুর পর ওয়াজেদ মিয়ার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী পীরগঞ্জ উপজেলার ফতেহপুর গ্রামে তার বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

ড. ওয়াজেদ মিয়ার জন্মবার্ষিকী পালন উপলক্ষে ড. ওয়াজেদ স্মৃতি সংসদ এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে ফাতেহা পাঠ, কবর জিয়ারত, দোয়া মাহফিল, গরিবদের মাঝে খাবার বিতরণ ও স্মরণসভাসহ নানা কর্মসূচি নেয়া হয়েছে।