English Version
আপডেট : ২৫ এপ্রিল, ২০২১ ২২:২১

বিধি না মানলে আবারো লকডাউন: কাদের

অনলাইন ডেস্ক
বিধি না মানলে আবারো লকডাউন: কাদের

লকডাউন তুলে নেয়ার পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে আবারো দেয়া হবে লকডাউন বলে হুঁশিয়ার করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

রোববার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

কাদের বলেন, লকডাউনের পরে গণপরিবহন চলাচলের সুযোগ দেয়া হলে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। তা না হলে সরকার আবারো কঠোর লকডাউন দিতে বাধ্য হবে।

শপিংমল, দোকান-পাট ও বাজারগুলোতে শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় করোনার টিকা নিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

গতকাল শনিবার এক মতবিনিময় সভায় ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, চলমান লকডাউন শেষে গণপরিবহন চালুর বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছে সরকার। গণপরিবহনে অর্ধেক আসন খালি রেখে যে ভাড়া নির্ধারণ ছিল, সেই ভাড়ার অতিরিক্ত নিলে শাস্তির আওতায় আনা হবে। লকডাউন শিথিল হলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করতে হবে।

দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ৫ থেকে ১১ এপ্রিল একগুচ্ছ বিধিনিষেধের আওতায় লকডাউন দেয় সরকার। এরপর এর মেয়াদ ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। পরে বিধিনিষেধ আরো কঠোর করে ১৪ এপ্রিল থেকে জরুরি কাজ ছাড়া বাইরে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে সর্বাত্মক লকডাউন দেয়া হয়। এই লকডাউনের মেয়াদ বাড়িয়ে ২৮ এপ্রিল করা হয়। এ সময় গণপরিবহনও বন্ধ রয়েছে।

তবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে লকডাউন চললেও আজ রোববার থেকে খুলে দেয়া হয়েছে দোকানপাট ও বিপণিবিতান।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের তথ্য জানায় সরকার। করোনায় প্রথম মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ। এরপর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছিল। কয়েক দফায় বাড়িয়ে টানা ৬৬ দিন সাধারণ ছুটি ছিল। একপর্যায়ে করোনার সংক্রমণ কমেও গিয়েছিল। কিন্তু এ বছরের মার্চ মাস থেকে করোনার সংক্রমণ আবারো বাড়তে শুরু করে।