English Version
আপডেট : ২১ এপ্রিল, ২০২১ ১২:৩৬

করোনায় দেশে নতুন করে দরিদ্র আড়াই কোটি

অনলাইন ডেস্ক
করোনায় দেশে নতুন করে দরিদ্র আড়াই কোটি

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে দেশে নতুন করে দরিদ্র হয়েছে ২ কোটি ৪৫ লাখ মানুষ। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিপিআরসি ও বিআইজিডির এক যৌথ সমীক্ষা বলছে, ২০২১ সালের মার্চ পর্যন্ত দেশে এই নতুন দরিদ্র শ্রেণির সংখ্যা জনসংখ্যার প্রায় ১৫ শতাংশ হয়েছে।

মঙ্গলবার অনলাইন আলোচনায় বক্তারা বলেন, যারা সাধারণত দারিদ্র্যসীমার ওপরেই বসবাস করেন, কিন্তু যেকোনো সংকটে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যেতে পারেন, তাদের জরিপে নতুন দরিদ্র হিসেবে ধরা হয়েছে।

লকডাউনে উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায়, গ্রামাঞ্চলের তুলনায় শহরাঞ্চলে নতুন দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। জরিপের তথ্য থেকে পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান জানান, গত বছর ২৭ দশমিক ৩ শতাংশ বস্তিবাসী শহর ছেড়ে গ্রামে চলে যান, যাদের প্রায় ১০ শতাংশ এখনো ফিরে আসেননি।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা শনাক্তের কথা জানায় সরকার। গত বছরের মে মাসের মাঝামাঝি থেকে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত শনাক্তের হার ২০ শতাংশের ওপরে ছিল। এরপর থেকে শনাক্তের হার কমতে শুরু করে।

গত জুন থেকে আগস্ট -এই তিন মাস করোনার সংক্রমণ ছিল তীব্র। মাঝে নভেম্বর-ডিসেম্বরে কিছুটা বাড়লেও বাকি সময় সংক্রমণ নিম্নমুখী ছিল। এ বছর মার্চে শুরু হয়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। প্রথম ঢেউয়ের চেয়ে এবার সংক্রমণ বেশি তীব্র। মধ্যে কয়েক মাস ধরে শনাক্তের চেয়ে সুস্থ বেশি হওয়ায় দেশে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা কমে আসছিল। কিন্তু মার্চ থেকে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যাও আবার বাড়তে শুরু করেছে।

করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়ে যাওয়ায় সারা দেশে ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল কঠোর বিধি-নিষেধ দিয়ে লকডাউন ঘোষণা করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে চলমান কঠোর লকডাউনের সময়সীমা ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বৃদ্ধি করে আজ আরেকটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এরফলে করোনা সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত চলমান কঠোর বিধি-নিষেধ অব্যাহত থাকবে এপ্রিলের ২৮ তারিখ পর্যন্ত।