English Version
আপডেট : ১৬ মার্চ, ২০২১ ২০:৩০

নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন ড. ইউনূস

অনলাইন ডেস্ক
নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন ড. ইউনূস

গ্রামীণ টেলিকমে কর্মী নিয়োগে আদালতের আদেশ না মানায় নি:শর্ত ক্ষমা চেয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার সকালে বিচারপতি মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি কামরুল হোসেন মোল্লার হাইকোর্ট বেঞ্চে ভার্চুয়ালি হাজির হয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এই নোবেল বিজয়ী।

এসময় ড. ইউনুস ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতির আবেদন জানালে আদালত তা মঞ্জুর করেন। কর্মী নিয়োগ সংক্রান্ত রুলের পরবর্তী শুনানির দিন ২২ এপ্রিল নির্ধারণ করেন আদালত।

এসময় গ্রামীণ টেলিকমের কর্মচারীদের পুনর্নিয়োগের বিষয়ে জারি করা রুলটি শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন ছুটির পর ২২ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন আদালত। আদালতে গ্রামীণ টেলিকম ও ড. ইউনূসের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ। তার সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী। কর্মচারীর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. ইউসুফ আলী। তার সঙ্গে ছিলেন আবেদনকারী আইনজীবী মো. উজ্জ্বল হোসেন।

আইনজীবীরা জানান, শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন সিবিএর সঙ্গে আলোচনা না করেই এক নোটিশে গ্রামীণ টেলিকমের ৯৯ কর্মীকে ছাঁটাই করা হয়। এরপর সেই নোটিশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়।

আদালত ৩৮ জনকে চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশ দেন। সেই আদেশের পরও তাদের নিয়োগ না দেওয়ায় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করা হয়।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি নিজ প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ টেলিকমে কর্মী নিয়োগের বিষয়ে আদালতের আদেশ পালন না করায় আদালত অবমাননার অভিযোগে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ দুইজনকে তলব করেছিলেন হাইকোর্ট। অপরজন হলেন- গ্রামীণ টেলিকমের এক পরিচালক। তলবের পরিপ্রেক্ষিতে আজ তাদের হাইকোর্টে হাজির হওয়ার নির্ধারিত দিন ধার্য ছিল। এদিন তারা ভার্চুয়ালি আদালতে হাজির হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন।