English Version
আপডেট : ১১ মার্চ, ২০২১ ০৭:২১

দুই প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ তামিম ইকবাল

অনলাইন ডেস্ক
দুই প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ তামিম ইকবাল

সেই মার্চ, সেই ক্রাইস্টচার্চ। ঠিক দুই বছর আগে নিউজিল্যান্ডের এই শহরেই ভয়াবহ এক সন্ত্রাসী হামলা থেকে অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছিলেন বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটররা।

সেই দুঃস্মৃতি আজও তাড়া করে তামিম, মুশফিকদের। এবার নিউজিল্যান্ড সফরে গিয়ে সেই ক্রাইস্টচার্চেই ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে ছিল বাংলাদেশ দল। বুধবার কোয়ারেন্টিন পর্ব শেষে কন্ডিশনিং ক্যাম্পের জন্য কুইন্সটাউনে উড়ে যাওয়ার আগে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল।

সেখানেই উঠে আসে ক্রাইস্টচার্চ হামলার প্রসঙ্গ। ২০১৯ সালের ১৫ মার্চ ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদে বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে জুমার নামাজ পড়তে আসা ৫১ জন মুসল্লিকে হত্যা করে এক বর্ণবাদী শ্বেতাঙ্গ সন্ত্রাসী। সেই দুই মসজিদের একটি আল নুরে নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন তামিমরা। যেতে একটু দেরি হওয়ায় প্রাণে বেঁচে যান।

কিন্তু মৃত্যুর বিভীষিকা চোখের সামনে দেখেছিলেন তারা। সেই ঘটনার পর পরিস্থিতি সামাল দিতে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরদার্নের দারুণ পদক্ষেপগুলো আজও দাগ কেটে আছে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মনে।

তামিম কাল জানালেন, নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা হলে ব্যক্তিগতভাবে তাকে কৃতজ্ঞতা জানাবেন, ‘আমাদের সবার জন্যই সময়টা ছিল কঠিন। বিশেষ করে যে পরিবারগুলো তাদের আপনজনদের হারিয়েছে। আমরা শুধু তাদের জন্য প্রার্থনাই করতে পারি। তবে আমাদের সামনে তাকাতে হবে। আমি এ নিয়ে চতুর্থ বা পঞ্চমবার নিউজিল্যান্ডে এলাম। খুবই সুন্দর একটি দেশ। এখানকার মানুষও খুব ভালো। আলাদা করে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর কথা বলতে চাই। সেই কঠিন সময় তিনি যেভাবে সামলেছেন, বাংলাদেশের সবাই তার প্রশংসা করেছে। তিনি দারুণ কাজ করেছেন। কখনো তার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ হলে ব্যক্তিগতভাবে আমি তাকে ধন্যবাদ জানাব।’

করোনাভাইরাসের টিকা পাওয়ার ক্ষেত্রে দূরদর্শী ভূমিকার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারও উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করলেন তামিম, ‘কোনা একটা পর্যায়ে সবাইকেই টিকা নিতে হবে। আমাদের দেশ অসাধারণ কাজ করেছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী সত্যিই দূরদর্শী। অগ্রণী ভূমিকা নিয়ে আগে থেকেই সব ব্যবস্থা করেছেন। অসাধারণ কাজ করেছেন তিনি। জাতি হিসাবে আমরা খুবই সৌভাগ্যবান। শুধু আমরা ক্রিকেটাররাই নই, সাধারণ মানুষও বিনামূল্যে টিকা পাচ্ছে। বাংলাদেশকে নিয়ে আমি গর্বিত। আমি নিশ্চিত, অন্যান্য দেশও আমাদের অনুসরণ করবে। সবাইকে টিকা নিতে হবে। আমি নিজেও প্রথম ডোজ নিয়েছি। খারাপ লাগেনি। দারুণ ছিল সবকিছু।