English Version
আপডেট : ২১ জানুয়ারি, ২০২১ ১০:১৮

বিদেশ থেকে বৈধভাবে যে পরিমাণ স্বর্ণ আনতে পারবেন প্রবাসীরা

অনলাইন ডেস্ক
বিদেশ থেকে বৈধভাবে যে পরিমাণ স্বর্ণ আনতে পারবেন প্রবাসীরা

ধরুন আ'পনি মধ্যপ্রাচ্য থেকে দেশে ফিরছেন, স’ঙ্গে প'রিবারের জ'ন্য এনেছেন কিছু স্বর্ণালংকার। কিন্তু বিমা'নবন্দরে আ'পনি এই স্বর্ণালংকারের জ'ন্যই প'রতে পারেন বি'রাট ঝামেলায়। কারণ কতটুকু স্বর্ণ বহ'ন করা বৈধ, আর কতটুকু বহ'ন করা অ'বৈধ, এই তথ্য আ'পনার জা'না না থাক'লে বি’প'দ শুধু নয়, কা'রাভোগের মতো বড় বি’প'দেও পড়তে পারেন আ'পনি।

অনেকস'ময়ই দেখা যায় প'রিবার বা ব’ন্ধুদের জ'ন্য শখ করে কিনে আনা বা নিজের প্রয়োজ'নীয় কো’নো একটি প'ণ্য আ'ই’নি অ'নুমোদন না থাকায় আ’টক করেছে কাস্টমস ক'র্তৃপক্ষ। আবার প্রা'য় স'ময়ই দেখা যায় স্বর্ণের বার স'হ এয়ারপোর্টে প্র'বাসীরা আ’টক হচ্ছেন।

স'ম্প্র'তি হজরত শাহজা'লাল আন্তর্জাতিক বিমা'নবন্দরে স্বর্ণের বার ও অলংকারস'হ এক প্র'বাসী আ’টক। এই প্র'বাসী পেটে'র ভেতরে করে সোনার বার লুকিয়ে আনতে গিয়ে ধরা পড়েন। তাই লোভে পড়ে অন্যের স্বর্ণ বহ'ন না করে জেনেনিন বিদেশ থেকে কতটুকু স্বর্ণ বার ও অলংকার আনতে পারবেন। একজ'ন প্র'বাসী বিদেশ থেকে দেশে ফেরার স'ময় শর্ত সাপেক্ষে একসা'থে ২৩৪ গ্রাম স্বর্ণ বার ও ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার আনতে পারবেন।

স্বর্ণ বারঃ প্র'তি ১১.৬৭ গ্রাম এর জ'ন্য ২০০০ টাকা শুল্ক-কর প'রিশোধ করতে হবে। এটি এক গ্রাম আনলেও শুল্ক দিতে হবে। এভাবে শুল্ক প'রিশোধ সাপেক্ষে একজ'ন প্র'বাসী বৈধভাবে ২৩৪ গ্রাম প'র্যন্ত আনতে পারবেন। এর বেশি আনলে কাস্টমস তা আ’টক করবে।

আ’টকের রশিদ (Detention Memo) বুঝে নিবেন। আ’টককৃত স্বর্ণ বার প'রবর্তীতে Adjudication প্রক্রিয়ায় আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রক দপ্তরের ছাড়পত্র উ'পস্থাপন, শুল্ক-করাদি এবং অর্থদ'ণ্ড প'রিশোধ সাপেক্ষে ফেরত পেতে পারেন। আর চোরাচা’লান ব'লে মনে হলে কাস্টমস সরাসরি ফৌজদা'রি মা'মলা করবে।

অলংকারঃ একই ধরণের অলংকার নয় এমন অলঙ্কার যদি ১২ টির অধিক না হয় তাহলে ১০০ গ্রাম প'র্যন্ত শুল্কমুক্ত হিসেবে আনতে পারবেন। অর্থাৎ একজ'ন প্র'বাসী ১০০ গ্রাম প'র্যন্ত অলঙ্কার আনতে পারবেন বিদেশ থেকে। এর বেশি আনলে অ’তিরিক্ত প্র'তি গ্রাম এর জ'ন্য প্রা'য় ১,৫০০ টাকা শুল্ক প'রিশোধ করতে হবে। অর্থাৎ শুল্ক-কর প'রিশোধ সাপেক্ষে স'র্বোচ্চ ২০০ গ্রাম প'র্যন্ত স্বর্ণ বার বা স্বর্ণখণ্ড স’ঙ্গে আনা যাবে। প্র'তি ১১.৬৭ গ্রা'মে ২ হাজার টাকা শুল্ক-কর প'রিশোধ করতে হবে।

বিধিমালায় বলা আ'ছে, যাত্রীর স’ঙ্গে সোনার বার বা স্বর্ণখণ্ড থাক'লে সেটা অবশ্যই যাত্রীকে ঘোষণা করতে হবে। তথ্য গো’পন করলে কিংবা স্বর্ণ বার বা খণ্ডের মোট প'রিমাণ ২০০ গ্রা'মের বেশি হলে ও’প'রে বর্ণিত একই নিয়'ম প্রযোজ্য হবে। তবে এই ক্ষেত্রে সা'ধা'রণত ২৩৪ গ্রাম প'র্যন্ত ডিএম নিয়'মের সু'যোগ দেওয়া হয়। এর অ’তিরিক্ত হলে স্মাগলিং-এর দা'য়ে মা'মলা হতে পারে।

এখানে একটা বি'ষয় খেয়াল রাখতে হবে, মধ্যপ্রাচ্যে দুই ধরনের সোনার বার পাওয়া যায়- ১০০ ও ১১৭ গ্রাম প্র'তিটি। এ'কাধিক (দু’টি) সোনার বার ক্রয়ের ক্ষেত্রে ঝামেলা এড়াতে ১০০ গ্রাম ওজ'নের সোনার বার কিনলে যাত্রীরা ঝামেলামুক্তভাবে তা বহ'ন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে স্বর্ণালংকার ও সোনার বার বা খণ্ডের হিসাব স'ম্পূর্ণরূপে আলাদা। যেমন, একজ'ন যাত্রী চাইলে ১০০ গ্রাম শুল্কমুক্ত অলংকার এবং ২০০ গ্রাম শুল্কযু’ক্ত বার বা খণ্ডস'হ মোট ৩০০ গ্রাম স্বর্ণ বৈধভাবে আনতে পারেন।

এ ছা'ড়া বিধিমালার ৭ নম্বর ধা'রা'য় গ্রিন চ্যানেল ও রেড চ্যানেল ব্যবহারের বি'ষয়ে নি'র্দেশনা দেওয়া আ'ছে। সেখানে বলা হয়েছে, কো’নো যাত্রী শুল্ক ও কর আরোপযোগ্য প'ণ্য বহ'ন না করলে তিনি বিমা'নবন্দরের গ্রিন চ্যানেল (যদি থাকে) ব্যবহার করতে পারবেন।

এতে আরো বলা আ'ছে, গ্রিন চ্যানেল অ’তিক্রমকারী স'র্বোচ্চ ৫ শতাংশ যাত্রীর ব্যাগেজ দ্বৈবচয়নের ভিত্তিতে শুল্ক ক'র্মক'র্তা ক'র্তৃক স্ক্যানিং ও প'রীক্ষা করা যাবে। তবে কো’নো শুল্ক ক'র্মক'র্তা যু’ক্তিসংগত স'ন্দে’হের বশে গ্রিন চ্যানেল অ’তিক্রমকারী যে কো’নো যাত্রীর ব্যাগেজ স্ক্যানিং ও প'রীক্ষা করতে পারবেন।

বাণিজ্যিক প'রিমাণ ব'লে মনে হলে কাস্টমস তা আ’টক করবে। আ’টক রশিদ (detention memo) বুঝে নিবেন। আ’টককৃত স্বর্ণালংকার প'রবর্তীতে Adjudication প্রক্রিয়ায় আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রক দপ্তরের ছাড়পত্র উ'পস্থাপন, শুল্ক-করাদি এবং অর্থদ'ণ্ড প'রিশোধ সাপেক্ষে ফেরত পেতে পারেন। আর চোরাচা’লান ব'লে মনে হলে কাস্টমস সরাসরি ফৌজদা'রি মা'মলা করবে।