English Version
আপডেট : ১ জানুয়ারি, ২০২১ ২০:০৩

পেঁয়াজ-আলুর সঙ্গে কমেছে ডিমের দাম

অনলাইন ডেস্ক
পেঁয়াজ-আলুর সঙ্গে কমেছে ডিমের দাম

রাজশাহীতে কমেছে পেঁয়াজ ও নতুন আলুর দাম। সেই সঙ্গে কমেছে ডিমের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজ ও নতুন আলুর দাম কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। ডিমের দাম ডজনে কমেছে ১০ টাকা।

শুক্রবার মহানগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পুরাতন আলু বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। নতুন আলুর দাম কমে ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় চলে এসেছে। পেঁয়াজের দামও কিছুটা কমেছে। গত সপ্তাহে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া দেশি পেঁয়াজের দাম কমে ৪০ থেকে ৫০ টাকা হয়েছে। আমদানি করা পেঁয়াজ ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

আলু ও পেঁয়াজের দামের বিষয়ে নওদাপাড়া বাজারের ব্যবসায়ীরা বলেন, ‘আলুর ও পেঁয়াজ সরবরাহ কম থাকায় গত সপ্তাহে দাম একটু বেড়েছিল। এখন আবার সরবরাহ বেড়েছে। এ কারণে দামও কমেছে। আমাদের ধারণা কিছুদিনের মধ্যে নতুন আলু ও পেঁয়াজের দাম কমবে।

এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম ডজনে ৫ থেকে ১০ টাকা কমেছে। গত সপ্তাহে ৯০ টাকা ডজন বিক্রি হওয়া ডিম এখন ৮০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। ডিমের হালিতে ২ থেকে ৩ টাকা কমেছে। সাদা ডিম ২৮ হালি, লাল ৩০ থেকে ৩২ টাকা।

শুক্রবার মহানগরীর নওদাপাড়া, বিনোদপুর, মাস্টারপাড়া, নিউমার্কেট ও বহরমপুর কাঁচাবাজারে ঘুরে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেগুন ২৫ থেকে ৩৫ টাকা, মুলা ১৫ থেকে ২০, টমেটো ৬০ থেকে ৭০ টাকা, পেঁপে ২৫ টাকা, প্রতিটি ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা, বাঁধাকপি ২৫ থেকে ৩০ টাকা, লাউ ২৫ থেকে ৩০ টাকা, শিম ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, কাঁচামরিচ ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কচুরমুখী ৩৫ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা কেজি, লালশাক ১০ টাকা, পালনশাক ১৫ টাকা, কলমি শাক ১৫ টাকা, ধুন্দল ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৪৫ টাকা, গাজর ৪০ টাকা, শসা ৫০ টাকা, কাঁচাকলা প্রতিহালি ১৬-২০ টাকা, লেবু প্রতিহালি ১২-১৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

সবজির দামের বিষয়ে নওদাপাড়া বাজারের ব্যবসায়ী মোশাররফ বলেন, সবজির দাম বেশি বাড়েনি তবে গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেশি বেড়েছে।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মধ্যে বাজারে প্রতি কেজি রসুন ৫০ থেকে ৬০ টাকা, আদা ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি অ্যাংকর ডাল ৪০ টাকা, মসুর ডাল মোটা ৮০ টাকা, দেশি ১১০ টাকা, চিনি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৪ টাকা কেজি দরে।

তেলের দাম আবারো বেড়েছে ৫-১০ টাকা। মুদি বাজারে খোলা ও লিটার তেলের দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা। আর সয়াবিন তেল খোলা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, প্যাকেট ও বোতলজাত তেল ১১০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কেজিতে ৩-৪ টাকা বেড়েছে চালের দাম শালবাগান কাচাঁবাজারের চাল ব্যবসায়ী আলী বলেন, মিনিকেট এবং নাজিরসাল দাম বেড়েছে। আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৭ থেকে ৬০ টাকা, পায়জাম ৬০-৬৩ টাকা, মিনিকেট ৬০ থেকে ৬৩ টাকা, নাজিরসাল ৬৫-৬৬ টাকা। এছাড়া জিরাসাল ৫৭ টাকা, কাটারিভোগ সিদ্ধ ৭৩ টাকা, কাজল লতা ৬০ টাকা, মোটা আতপ ৫৮-৬০ পোলা-আতপ ও কালোজিরা চাল বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজিতে।

বেড়েছে খাসির মাংসে দাম। কেজিপ্রতি খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৮২৫ টাকায়, ছাগলের মাংস ৭০০ ও গরুর মাংস ৫০০ থেকে ৫৪০ টাকা। বয়লার মুরগি ১২০ টাকায়, সোনালী মুরগি ১৮০ ও দেশি মুরগি ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

শালবাগান মাছ ব্যবসায়ী শামিম বলেন, গত দুই তিন দিনে মাছের দাম বেড়েছে। গত সপ্তাহে কার্প জাতীয় মাছসহ অন্য মাছের দাম স্থিতিশীল থাকলেও এই সপ্তাহে র্কাপ জাতীয় মাছের দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ বেড়েছে, সিলভার ১১০ থেকে ২১০ টাকা কেজি, রুই ১৭০ থেকে ২৫০ টাকা, কাতল ২২০ থেকে ৩৩০ টাকা, তেলাপিয়া ছোট ১০০ থেকে ১৩০ টাকা, আর বড় তেলাপিয়া ১৮০-২০০ টাকা, চাষের পাঙ্গাস ১১০-১৩০ টাকা, নদীর পাঙ্গাস এক হাজার টাকা, পুঁটি ১৮০ থেকে ২০০, শিং ৪০০ টাকা, টাকি ২৭০ টাকা, টেংরা ৪০০ টাকা, মলা ৩০০ খেকে ৩৮০ টাকা, বোয়াল ৫০০ থেকে ৯০০ টাকা, চিতল ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, শোল ২৫০ টাকা, বাঘাইড় ৭৫০ থেকে ৯৬০ টাকা, দেশি জাতের কই ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, বাইলা মাছ প্রকারভেদে ৩০০-৪০০ টাকা, চাষের মাগুর ৩৫০-৪৫০ এবং পাবদা ৪০০-৬০০ টাকা, ইলিশ ৬০০ থেকে এক হাজার টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।