English Version
আপডেট : ১৯ মার্চ, ২০২০ ২৩:৩৭
সূত্র:

সিঙ্গাপুর, দুবাই ও আবুধাবির ফ্লাইট বন্ধ করল বিমান

সিঙ্গাপুর, দুবাই ও আবুধাবির ফ্লাইট বন্ধ করল বিমান

প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের পরিস্থিতি মোকাবেলায় এবার সিঙ্গাপুর রুটেও ফ্লাইট বন্ধ করল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। আগামী ২১ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত ঢাকা-সিঙ্গাপুর রুটে ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ থাকবে।

আজ বৃহস্পতিবার রাতে এ তথ্য জানান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোকাব্বির হোসেন। তিনি বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণে বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বিভিন্ন রুটে ফ্লাইট বাতিল করছে। সিঙ্গাপুর রুটেও ২১ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ থাকবে।

এদিকে করোনাভাইরাসের বিস্তাররোধে সংযুক্ত আরব আমিরাতের নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটির আবুধাবি ও দুবাই রুটে সব ধরনের ফ্লাইট বাতিল করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। বৃহস্পতিবার থেকে আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে। 

মো. মোকাব্বির হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, যাত্রী সঙ্কটের কারণে বিমানের অভ্যন্তরীণ রুটেও আগামী তিন দিনের বেশ কয়েকটি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। 

ফ্লাইট বাতিলের কারণ না জানালেও সূত্র জানায়, করোনাভাইরাসের কারণে এসব রুটে চরম যাত্রী সঙ্কট দেখা দিয়েছে। তাই ফ্লাইটগুলো বাতিল করা হয়েছে।

এর আগে, করোনার বিস্তাররোধে স্থানীয় সরকারের সিদ্ধান্তের কারণে আরো বেশ কয়টি রুটে ফ্লাইট বন্ধ করে দেয় বিমান। সবশেষ গত ১৭ মার্চ মালয়েশিয়াকে ‘লক-ডাউন’ ঘোষণা করা হলে কুয়ালালামপুর রুটের ফ্লাইটও বাতিল করে দেয় রাষ্ট্রীয় এয়ারলাইন্সটি।

বিমানের এমডি জানান, বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা-বরিশাল-ঢাকা (২২ মার্চ), ঢাকা-যশোর-ঢাকা (২২ মার্চ), ঢাকা-সৈয়দপুর-ঢাকা (২৩ মার্চ), ঢাকা-রাজশাহী-ঢাকা (২৩ মার্চ), ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা (২১ থেকে ২৩ মার্চ সব ফ্লাইট), ঢাকা-চট্টগ্রাম-ঢাকা (২১ থেকে ২৩ মার্চের সব ফ্লাইট), ঢাকা-সিলেট-ঢাকা (২১ ও ২২ মার্চ)।

আটকেপড়া ৪০৬ জনকে নিয়ে ঢাকায় সাউদিয়া এয়ালাইনস: করোনা ঝুঁকির মধ্যেই সৌদি আরবে আটকেপড়া ৪০৬ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। আজ সন্ধ্যা ৬টায় সৌদি এয়ারলাইন্সের এসভি-৩৮০৫ নম্বর ফ্লাইটে তারা ঢাকায় অবতরণ করেন। ফ্লাইটের অধিকাংশ যাত্রীই ওমরাহ করতে গিয়ে সৌদিতে আটকে গিয়েছিলেন। সৌদি সরকারের বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট উঠা-নামায় নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ অনুরোধে এবং ওমরাহ যাত্রীদের মানবিক বিবেচনায় তারা ফ্লাইটের অনুমতি দেয়। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক এ তথ্য জানান।

বিমানবন্দর সূত্র জানায়, যাত্রীরা দেশে ফিরলে প্রথমে তাদের থার্মাল স্ক্যানারে স্ক্রিনিং করা হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী কারো মধ্যে করোনার লক্ষণ-উপসর্গ না পাওয়া গেলে ইমিগ্রেশন শেষে তাদের হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হবে। আর শরীরের তাপমাত্রা বেশি থাকলে তাদের পাঠানো হবে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে।