English Version
আপডেট : ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০৭:৩৮
সূত্র:

দেশে করোনাভাইরাস প্রবেশ ঠেকাতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা

দেশে করোনাভাইরাস প্রবেশ ঠেকাতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা

দেশে যে কোনো মূল্যে করোনাভাইরাস প্রবেশ ঠেকাতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠক শেষে করোনাভাইরাস নিয়ে বিশেষ বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন তিনি। এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী, বিমান সচিব ও স্বাস্থ্য বিভাগের সচিব এবং স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞসহ ৩০ জন উপস্থিত ছিলেন। 

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

সভায় 'কোম্পানি (সংশোধন) আইন-২০২০' এর খসড়া ও 'ডেজিগনেটেড রেফারেন্স ইনস্টিটিউট ফর কেমিক্যাল মেজারমেন্টস বাংলাদেশ আইন-২০২০' এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে কিছু সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যেভাবেই হোক করোনাভাইরাস আমাদের দেশে ঢোকা প্রতিরোধ করতে হবে। চীন থেকে যারা দেশে ফিরবেন, তাদের অবশ্যই ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে রাখতে হবে। কারণ এটি (করোনাভাইরাস) নিয়ে ঝুঁকি নেওয়া যাবে না।

আনোয়ারুল ইসলাম জানান, ইতিমধ্যে চীনের উহান থেকে যে ৩১২ জন বাংলাদেশে আনা হয়েছিল, তাদের আশকোনা হজ ক্যাম্পে রাখা হয়েছে। সেখানে তদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাদের কোয়ারেন্টাইনে ১৪ দিন পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। এ বিষয়ে কোন ধরনের গাফিলতি চলবে না।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশের যেসব প্রকল্পে চীনের উহান শহরের নাগরিক কর্মরত এবং তাদের মধ্যে যারা নিজ দেশে গেছেন, তাদের আপাতত বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে ওয়ার্ক পারমিটও নবায়ন করা হবে না।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও বলেছেন, চীন সরকার বাংলাদেশকে আশ্বাস দিয়েছে যে তারা আক্রান্ত বাংলাদেশিদের প্রেরণ করবে না। আমাদের চীন থেকে ৩১৬ বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে আনার কথা ছিল। তবে চীন সরকার ৪ জনকে উচ্চ জ্বরজনিত কারণে দেশ ছাড়ার অনুমতি দেয়নি। ফিরে আসা ৩১২ জনের মধ্যে ৮ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং বাকিদের ১৪ দিনের জন্য পৃথক অবস্থায় রাখা হয়েছে।