English Version
আপডেট : ১০ জানুয়ারি, ২০২০ ০৭:৪৪
সূত্র:

'বিশ্ব ইজতেমায় কোন ধরনের হুমকি নেই'

'বিশ্ব ইজতেমায় কোন ধরনের হুমকি নেই'

টঙ্গীর তুরাগ তীরে শুক্রবার থেকে শুরু হতে যাওয়া ৫৬তম বিশ্ব ইজতেমায় কোন ধরনের হুমকি নেই বলে জানিয়েছেন র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

বেনজীর আহমেদ বলেন, 'হুমকি না থাকলেও নিজস্ব গোয়েন্দা সংস্থা ও সরকারের অন্যান্য সংস্থাকে সঙ্গে নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আকাশে ড্রোন দিয়ে পেট্রোলিংয়ের পাশাপাশি নৌ ও স্থল টহলের মাধ্যমে এবং ওয়াচ টাওয়ার থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হবে।'

তিনি বলেন, 'বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সম্মানিত অতিথিবৃন্দসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে লাখো ধর্মপ্রাণ মুসলমান বিশ্ব ইজতেমায় সমবেত হন। ধর্মীয় জমায়েত নির্বিঘ্ন করতে ইতিমধ্যে বিশ্ব ইজতেমা দুই পর্বে সম্পন্ন হবে।'

র‌্যাব মহাপরিচালক বলেন, 'ময়দানের অভ্যন্তরে পোশাকধারী র‌্যাব সদস্যের পাশাপাশি পর্যাপ্ত সংখ্যক সাদা পোশাকের সদস্য মোতায়েন থাকবে। র‌্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, সুইপিং টিম ও ডগ স্কোয়াড প্রস্তুত থাকবে। যেকোন আপদকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমাদের ফোর্স সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে। অন্য গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে সার্বক্ষণিক তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। কোথাও ঝুঁকি দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

তিনি বলেন, 'ইজতেমার দু’পক্ষের সঙ্গেই আমাদের যোগাযোগ রয়েছে। সবকিছু স্বাভাবিক রেখে ইজতেমা অনুষ্ঠিত হতে আমরা সতর্ক রয়েছি। এছাড়া, বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নানা ধরনের গুজব ছড়ানোর মাধ্যমে পরিণত হয়েছে। এ জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো মনিটরিং করা হবে।

বেনজীর আহমেদ বলেন, 'ইজতেমায় ২৭টি দেশের বিদেশি নাগরিকসহ বিপুল সংখ্যক মুসল্লির জমায়েত হবে। আমরা ইতোমধ্যে গোয়েন্দা নজরদারির কাজ শুরু করেছি। দুই ধাপে ইজতেমার ময়দানে তিন দিন করে আমাদের ডেপ্লয়মেন্ট থাকবে। গাড়ি, বাইক পেট্রোলিংয়ের পাশাপাশি তুরাগ নদীতে স্পিডবোটের মাধ্যমে বোট পেট্রোলিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া, আকাশপথে দু’টি হেলিকপ্টারের পাশাপাশি ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা হবে।'