English Version
আপডেট : ২৭ নভেম্বর, ২০১৯ ০৬:২৪
সূত্র:

চীন থেকে এলো ৫৮০ টন পেঁয়াজ

চীন থেকে এলো ৫৮০ টন পেঁয়াজ

এক সাথে ৫৮০ টন পেঁয়াজ নিয়ে এসেছে ভোগ্যপণ্য আমদানির শীর্ষ গ্রুপ চট্টগ্রামভিত্তিক বিএসএম গ্রুপ। চীন থেকে ‘এমসিসি থাইপে’ জাহাজে ২০টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কন্টেইনারে এসব পেঁয়াজ সোমবার সকালে পৌঁছে চট্টগ্রাম বন্দরের সাধারন কন্টেইনার জেটি জিসিবিতে। মঙ্গলবার রাতে এসব পেঁয়াজ বন্দর থেকে ছাড় হয়ে বুধবার সকালেই বাজারে পৌঁছবে। 

পেঁয়াজের বাজারে সরবরাহ সংকট ও অস্থিরতা সৃষ্টির পর থেকে একসাথে এত বিপুল পেঁয়াজ আমদানির ঘটনা এই প্রথম।

এবিষয়ে বিএসএম গ্রুপের চেয়ারম্যান আবুল বশর চৌধুরী  বলেন, আমরা ভোগ্যপণ্য আমদানিতে জড়িত, পেঁয়াজ আমদানি করি না। দেশের এই পরিস্থিতিতে সরকারের অনুরোধে সাড়া দিয়ে আমরা এই পেঁয়াজ আমদানি করেছি। আমাদের কাছে এই মুহূর্তে মুনাফা বড় বিষয় নয়; পেঁয়াজ সংকটে সরবরাহ বাড়ানোই লক্ষ।

তিনি বলেন, আমরা প্রথম দফায় চীন থেকে ৮শ টন পেঁয়াজ আমদানির ঋণপত্র খুলেছি। এরমধ্যে ৫৮০ টন সোমবার পৌঁছলো, বাকি ২২০ টন পৌঁছবে ৩০ নভেম্বর। এছাড়া মিসর থেকে আরও পেঁয়াজের চালান জাহাজে তোলা হচ্ছে; শিগগিরই চট্টগ্রামে পৌঁছবে সেই চালান।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানির জন্য ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত ৮৩ হাজার ৬২৫ টনের আমদানি সনদ বা আইপি নিয়েছেন আমদানিকারকরা। এরমধ্যে শুধু এস আলম গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান সোনালী ট্রেডিং নিয়েছে ৬৪ হাজার টন। কিন্তু তাদের পেঁয়াজ এখনও চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেনি। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তাদের পেঁয়াজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছবে। প্রথম চালানে মিসর থেকে পৌঁছবে ২ হাজার টন এবং তুরস্ক থেকে খোলা জাহাজে আসছে ১০ হাজার টন। এছাড়া সিটি গ্রুপ, মেঘনা গ্রুপও দুই হাজার টন করে পেঁয়াজ আমদানি করেছে; যেগুলো এই সপ্তাহের মধ্যেই পৌঁছবে।