English Version
আপডেট : ১০ নভেম্বর, ২০১৯ ১৪:১৩
সূত্র:

লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মানুষের অংশগ্রহণে জসনে জুলুস

লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মানুষের অংশগ্রহণে জসনে জুলুস

পবিত্র ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (সা:)উপলক্ষে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে জশনে জুলুস শোভা যাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার সকাল ৯টা থেকে আনজুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট-এর উদ্যোগে নগরীর মুরাদপুরস্থ জামেয়া আহমদিয়া আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন আলমগীর খানকাহ থেকে এই জুলুস শুরু হয়।

এতে নেতৃত্ব দেন পাকিস্তান থেকে আগত পীরে কামেল, হযরতুল আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তাহের শাহ (মা.জি.আ.)। তার সাথে রয়েছেন শাহাজাদা আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাসেম শাহ (মা.জি.আ) ও শাহাজাদা আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ হামিদ শাহ্ (মা.জি.আ)।

কমপক্ষে ২০ লাখ ধর্মপ্রাণ মানুষের অংশগ্রহণে বিশাল এই ধর্মীয় শোভাযাত্রা চট্টগ্রাম নগরীর মুরাদপুর থেকে শুরু হয়ে মির্জাপুল, কাতালগঞ্জ, চকবাজার, প্যারেড কর্নার, সিরাজউদ্দৌলা সড়ক, আন্দরকিল্লা, চেরাগি পাহাড়, প্রেসক্লাব, কাজীর দেউড়ি, আলমাস, ওয়াসা, জিইসি হয়ে আবারো মুরাদপুর হয়ে শেষ হয়। এই জুলুসে চট্টগ্রাম মহানগরী ছাড়া চট্টগ্রামের জেলার প্রতিটি উপজেলা থেকে লাখ লাখ মানুষ অংশ নেন।

এর আগে নগরীর কাজীর দেউড়ি মোড়ে অস্থায়ী মঞ্চে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন এবং শান্তি সমৃদ্ধি কামনায় মোনাজাত পরিচালনা করেন আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তাহের শাহ।

এদিকে ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (সা:) উপলক্ষে জশনে জুলুসের ৪৮তম এই ধর্মীয় আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন করতে চট্টগ্রাম নগর জুড়ে কঠোর নিরাপত্তামুলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ।

জুলুসের রোডম্যাপ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ, ডিবি পুলিশ, র‌্যাব এবং অন্যান্য আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করে।

উল্লেখ, ১৯৭৪ সাল থেকে চট্টগ্রামে এই জসনে জুলুস অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। ওই বছর প্রথম নগরীর ভলুয়ার দিঘির খানকাহ থেকে কয়েক হাজার ধর্মপ্রাণ মানুষ নিয়ে এই জুলুসের সূচনা হয়। প্রথম জুলুসে নেতৃত্ব দেন পাকিস্তানের প্রয়াত পীরে কামেল হযরতুল আল্লামা হাফেজ ক্বারী সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়ব শাহ (রহ.)। তার নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিবছর ১২ রবিউল আউয়াল ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (সা:) উপলক্ষে এই জুলুস অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।