English Version
আপডেট : ৫ নভেম্বর, ২০১৯ ০৮:৩৩
সূত্র:

৩৬৬ কোটি টাকার প্রকল্প একনেকে

৩৬৬ কোটি টাকার প্রকল্প একনেকে

যশোরে (রাজারহাট) মনিরামপুর-কেশবপুর-চুকনগরের ৩৮ কিলোমিটার আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়নে ৩৬৬ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন পেতে যাচ্ছে একনেকে।

আগামীকাল মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। এর জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে মোট ৩৬৬ কোটি ২৮ লাখ টাকা। সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে চলতি বছরের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর ২০২১ সালে বাস্তবায়ন করবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর। একনেক কার্যপত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, প্রকল্পের উদ্দেশ্য হচ্ছে- যশোর জেলার সাথে মনিরামপুর ও কেশবপুর উপজেলা এবং খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার ৩৮ দশমিক ২৬৫ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়নের মাধ্যমে উন্নত ও নিরাপদ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন করা। যশোর জেলার সদর, মনিরামপুর ও কেশবপুর উপজেলা এবং খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

চলতি অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দবিহীনভাবে অননুমোদিত নতুন প্রকল্প তালিকায় প্রকল্পটি অন্তর্ভুক্ত আছে। প্রস্তাবিত প্রকল্পের আওতায় মোট ৩৮ দশমিক ২৬ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তকরণ সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার লক্ষ্যমাত্রার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রম হচ্ছে- সড়কে মাটির বাঁধ দেয়া, ২৩ দশমিক ৯৫ কিলোমিটার সড়ক মজবুতীকরণ করা, ২৩ দশমিক ৯৫ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তকরণ করা, ২৩ দশমিক ৯৫ কিলোমিটার হার্ড সোল্ডার নির্মাণ, সড়ক উঁচুকরণ ও পুনঃনির্মাণ ৯ দশমিক ৬৫ কিলোমিটার, সার্ফেসিং কাজ ৩৩ দশমিক ৭১৮ কিলোমিটার, আরসিসি পেভমেন্ট নির্মাণ ৪ দশমিক ৫৪৭ কিলোমিটার, আরসিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ ৪১ দশমিক ১০ মিটার, আরসিসি বক্স কালভার্ট নির্মাণ ৪০ মিটার, আরসিসি পিটসহ আরসিসি ইউ-ড্রেন নির্মাণ, দু’টি ইন্টারসেকশন নির্মাণ, রক্ষাপ্রদ কাজ (আরসিসি প্যালাসাইডিং), নির্মাণকালীন রক্ষণাবেক্ষণ, জেনারেল ও সাইট ফ্যাসিলিটিস, ইউটিলিটি স্থানান্তর, সাইন, সিগনালসহ ইত্যাদি কাজ করা হবে। এ বিষয়ে ভৌত ও অবকাঠামো বিভাগের সদস্য শামীমা নার্গিস পরিকল্পনা কমিশনের মতামতে বলেছেন, ‘প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে যশোর জেলার সাথে মনিরামপুর ও কেশবপুর উপজেলা এবং খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার উন্নত ও নিরাপদ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন হবে। প্রকল্প এলাকার জনসাধারণের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন হবে। তাই সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ থেকে প্রস্তাবিত এ প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হলো।’