English Version
আপডেট : ৪ অক্টোবর, ২০১৯ ১৬:৩৭
সূত্র:

এনআরসি নিয়ে দুশ্চিন্তা নেই

এনআরসি নিয়ে দুশ্চিন্তা নেই

নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক শেষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, বৈঠক সফল। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে তিনি আশ্বস্ত হয়েছেন এবং বাংলাদেশের নাগরিকদের বলেছেন, আসামের এনআরসি নিয়ে তাদের দুশ্চিন্তা করার কোনো প্রয়োজন নেই।

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ইন্ডিয়া ইকোনমিক সামিটে যোগ দিতে নয়াদিল্লি এসেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হওয়ারও কথা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, এক সপ্তাহ আগে নিউইয়র্কেও এনআরসি নিয়ে শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদির কথা হয়। তখনই তিনি জানান, এনআরসি বাংলাদেশি নাগরিকদের কাছে দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তখনও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। 

মোদির গলায় আশ্বাসের সুর থাকলেও কিছুদিন আগে কলকাতায় এসে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি এবং দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ স্পষ্ট ভাষায় বলে গিয়েছেন, অনুপ্রবেশকারীদের গলা ধাক্কা দিয়ে দেশ থেকে বের করে দেওয়া হবে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর কথায় সম্পূর্ণ আস্থা রাখছে বাংলাদেশ। তাদের বিশ্বাস, দুই দেশের মধ্যে যে সুসম্পর্ক রয়েছে এনআরসির কারণে তাতে কোনো ছেদ পড়বে না।

শনিবার নয়াদিল্লিতে পূর্ণ বৈঠকে বসতে চলেছেন বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী। প্রকৃতপক্ষে নতুন করে ক্ষমতায় আসার পরে এটাই শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদির সামগ্রিক দ্বিপাক্ষিক বিষয়গুলি নিয়ে আদানপ্রদানের শুরু। বাণিজ্য, অর্থনীতি, সীমান্ত নিরাপত্তা, যোগাযোগ এবং সন্ত্রাস মোকাবিলার ক্ষেত্রে কমপক্ষে ১০টি চুক্তির কথা জানানো হয়েছে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় সূত্রে। তার মধ্যে রয়েছে তিস্তাসহ দু’দেশের মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়া ৫৪টি নদীর মধ্যে দিয়ে যাতায়াত এবং বাণিজ্য বাড়ানো নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি।