English Version
আপডেট : ৩১ আগস্ট, ২০১৯ ১১:৪২
সূত্র:

সেনা অফিসারদের একে একে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল খুনি জিয়া: প্রধানমন্ত্রী

সেনা অফিসারদের একে একে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল খুনি জিয়া: প্রধানমন্ত্রী

বিএনপি কীভাবে গুম-খুনের কথা বলে, তা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের রক্ষায় জিয়াউর রহমানের ভূমিকা আর সেই শাসনামলে মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তাদের ফাঁসির কথা তুলে ধরে এই মন্তব্য করেন তিনি।

শুক্রবার বিকেলে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ (উত্তর ও দক্ষিণ) আয়োজিত আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্কজনক অধ্যায় ১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় স্মৃতিকাতর হয়ে কেঁদেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। 

বক্তব্যে বারবার শেখ হাসিনাতে আবেগাপ্লুত হয়ে কাঁদতে এবং চোখের জল মুছতে দেখা যায়। প্রধানমন্ত্রীর আবেগাপ্লুত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত অনেককে কাঁদতে দেখা যায়। 

বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, কারবালায় যেভাবে নির্মম হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিল। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট যেন কারবালার ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলো ৩২ নম্বরে। আমরা দুইবোন ভাগ্যক্রমে সেদিন বেঁচে যাই। 

৫ আগস্টে শুধু একটা পরিবারকে হত্যা নয়। এর মধ্য দিয়ে আমাদের দেশের ইতিহাস মুছে দেওয়ার অপচেষ্টা করা হয়। বাংলাদেশ সৃষ্টিতে যার অবদান, ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে যত আন্দোলন সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর যে অবদান তা মুছে দেওয়া হয়েছিল। 

‘তখন একটি মাত্র টেলিভিশন ছিল-বিটিভি। সেই বিটিভিতেও একটি বারের জন্য বঙ্গবন্ধুর নামটি আসেনি। একেবারে ইতিহাস থেকেই মুছে ফেলার অপচেষ্টা করা হয়।’ 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পঁচাত্তরের পর যারাই ক্ষমতায় এসেছে তারাই ১৫ আগস্টের খুনিদের মদদ দিয়েছে। যেভাবে জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে খুনিদের দূতাবাসে চাকরি দিয়েছিল সেভাবে খালেদা জিয়াও পুনর্বাসন করেছেন। এরশাদও খুনিদের মদদ দিয়েছে পুরস্কৃত করেছে। 

জিয়াউর রহমান দেশে সর্বপ্রথম গুম-খুনের রাজনীতি শুরু করেছিলেন অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু আমাদের দলের লোকদের হত্যা করা হয়েছিল এমন নয়। সেনাবাহিনীর অফিসার, যারা একটা সময় জাতির পিতার ডাকে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়ে যুদ্ধ করেছিল, তাদেরকেও একে একে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল ওই খুনি জিয়াউর রহমান।