English Version
আপডেট : ১৩ আগস্ট, ২০১৯ ১৩:৫১
সূত্র:

অপসারণ হলো ৩০ হাজার টন পশুর বর্জ্য

অপসারণ হলো ৩০ হাজার টন পশুর বর্জ্য

পবিত্র ঈদুল আজহার প্রথম দিনে জবাই হওয়া পশুর ৩০ হাজার টন বর্জ্য অপসারণ করেছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন।

এর মধ্যে সোমবার (১২ আগস্ট) রাত পর্যন্ত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ২০ হাজার টন বর্জ্য অপসারণ করেছে। আর বেলা ২টা পর্যন্ত ঢাকা উত্তরে প্রায় ১০ হাজার টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছিল বলে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম জানিয়েছিলেন।

রাতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা উত্তম কুমার রায় বলেন, সোমবার রাত ১০টা নাগাদ তারা ২০ হাজার টন বর্জ্য অপসারণ করেছেন। মঙ্গলবার বিকালের আগে আরও প্রায় সাত হাজার টন বর্জ্য অপসারিত হবে।

সোমবার ঈদের নামাজ আদায়ের পর রাজধানীবাসী ব্যস্ত হয়ে পড়েন পশু জবাই। বিকালের মধ্যে কোরবানির পশুও ভাগাভাগি হয়ে যায় প্রিয়জনদের মধ্যে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এবছর মহাখালী পশু জবাইখানাসহ ২৭৩টি স্থানে পশু কোরবানির ব্যবস্থা করেছিল। এছাড়াও জবাইয়ের জন্য ৪০০টি স্থান চিহ্নিত করা হয়েছিল। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনও পশু জবাইয়ের জন্য ৬০২টি স্থান নির্ধারণ করেছিল।

এসবের বাহিরেও অনেকে নিজ বাসভবনে, ভবনের পাশে সরু সড়কে কিংবা প্রধান সড়কে পশু জবাই করেছেন।

নির্ধারিত স্থানে কোরবানি না করায় বর্জ্য অপসারণে জটিলতা দেখা দেবে বলে মনে করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. মঞ্জুর হোসেনের। তিনি বলেন, নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি না দেওয়ায় পরিবেশ আরও বেশি দূষিত হয়েছে। আমাদের কাজ করতে অসুবিধা হচ্ছে। সময় একটু বেশিই লাগছে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অঞ্চল-১ এর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাসুদেব সরকার বলেন, ৫০০ টনের মতো বর্জ্য উৎপাদন হয়েছে। আমরা বিকাল ৫টার মধ্যে অধিকাংশ বর্জ্যই সরিয়ে ফেলেছি। যতক্ষণ না পর্যন্ত সব বর্জ্য আমরা সরাব, কাজ টানা চলতে থাকবে।

এবছর কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণের জন্য বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের আওতায় উত্তর সিটির নিজস্ব ২৪০০ এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৪৩৫ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী কাজ করছে।

আরও ১১০০ পরিচ্ছন্নতাকর্মী এবং বাসা-বাড়ি থেকে ভ্যান সার্ভিসের মাধ্যমে বর্জ্য সংগ্রহ করার জন্য প্রায় ৪ হাজার ৫০০ জন শ্রমিক কোরবানির বর্জ্য অপসারণে নিয়োজিত রয়েছে।

উত্তর সিটির পক্ষ থেকে এবার পশু কোরবানির জন্য ১০০ জন ইমাম এবং ২০০ জন মাংস প্রস্তুতকারীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫২৪১ জন কর্মীর পাশাপাশি ১২৫২ জন কর্মীকে অস্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের জন্য। পাশাপাশি কোরবানির পশুর হাট পরিষ্কারের কাজে থাকবেন আরও ১৯৫৪ জন।