English Version
আপডেট : ৯ জুলাই, ২০১৯ ১১:১৫
সূত্র:

আজও সড়কে অবস্থান রিকশাচালকদের

আজও সড়কে অবস্থান রিকশাচালকদের

তিনটি সড়ক থেকে রিকশা তুলে দেয়ার প্রতিবাদে রাজধানীর মালিবাগ, রামপুরা, বাড্ডাসহ বেশ কয়েকটি পয়েন্টে সড়কে নেমেছেন রিকশাচালকরা।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) সকাল ৮টায় রাজধানীর রামপুরার ওয়াপদা রোড, উত্তর বাড্ডা ও কুড়িল বিশ্বরোডের সড়কের একপাশে অবরোধ করে। এর ফলে প্রচণ্ড যানজটের সৃষ্টি হয়। তারা রাজধানীর সব সড়কে রিকশা চলাচলের অনুমতি দেয়ার পক্ষে স্লোগান দিচ্ছিলেন।

রিকশাচালক মনির হোসেন বলেন, সড়কে রিকশা চলাচলের দাবিতে আমাদের আন্দোলন চলছে। আজ পাঁচ ঘণ্টা এ কর্মসূচি পালন করব। এর মধ্যে দাবি না মানলে এভাবে আন্দোলন চলবে। কারণ সব সড়কে আমাদের রিকশা চালাতে দিতে হবে।

মনির হোসেন যখন কথাগুলো বলছিলেন তখন অন্য রিকশাচালকদের ‘সড়ক আছে যেখানে রিকশা চলবে সেখানে’, চলবে চলবে রিকশা চলবে’ স্লোগান দিতে দেখা যায়। এ সময় পথচারী ও অফিসগামীদের বাস থেকে নেমে হেঁটে যেতে দেখা যায়।

বাড্ডা থানার ডিউটি অফিসার এসআই মান্নান বলেন, সকাল থেকে উত্তর বাড্ডার ফুজি টাওয়ারের সামনে চালকরা অবস্থান নেন। সড়কে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে। ঘটনাস্থলে ওসিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আছেন। তারা রিকশাচালকদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছেন।

এর আগে, গতকাল সোমবার সকাল ৭টা থেকে সড়ক অবরোধ করে আন্দোলনে নামেন রিকশাচালক-মালিকরা। রাজধানীর মুগদা, মানিকনগর, মান্ডাসহ বেশ কয়েকটি এলাকার সড়কে অবস্থান নেন তারা। এতে দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ জনগণ।

এরপর দুপুর দেড়টার দিকে মুগদা ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর বিএম সিরাজুল ইসলাম, ৭১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শফিকুল আলম শামীম, ৭২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর খায়রুজ্জামান খায়রুল ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আশ্বাসে তারা সড়ক ছেড়ে চলে যান।

গত ৩ জুলাই ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) নগর ভবনে ঢাকা ট্রান্সপোর্ট কন্ট্রোল অথরিটির (ডিটিসিএ) এক বৈঠকে রাজধানীর দুটি রুটে রিকশা চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। রোববার (৭ জুলাই) থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়।

প্রাথমিকভাবে গাবতলী থেকে আসাদগেট হয়ে আজিমপুর, সায়েন্স ল্যাব থেকে শাহবাগ, কুড়িল বিশ্ব রোড থেকে রামপুরা হয়ে খিলগাঁও-সায়েদাবাদ পর্যন্ত রিকশাসহ অন্যান্য অবৈধ ও অননুমোদিত যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।