English Version
আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১২:৪৭
সূত্র:

বঙ্গবন্ধু টানেল ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধু টানেল ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল'-এর খনন ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের মূল কাজের উদ্বোধন করেছেন।   রোববার সকাল সোয়া ১১টার দিকে চট্টগ্রামে নির্মিতব্য উপমহাদেশের প্রথম নদীর নিচ দিয়ে সড়ক টানেল উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া চট্টগ্রাম নগরের লালখান বাজার থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের মূল কাজও উদ্বোধন করেন তিনি।

এর আগে, রোববার বেলা ১১টা ১০ মিনিটে তিনি চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে পৌঁছান। এসময় স্থানীয় নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক প্রমুখ।

টানেলের খনন কাজ উদ্বোধনের পর পতেঙ্গা সাগর পাড়ে আয়োজিত ব্যতিক্রমী আয়োজনের এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠান শেষ করে বিশেষ বিমানে ফিরতি ফ্লাইটে ঢাকায় ফিরবেন তিনি।

জানা গেছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নয় হাজার আটশত আশি কোটি চল্লিশ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে। যার মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের অর্থ সহায়তা তিন হাজার নয়শত সাতষট্টি কোটি একুশ লক্ষ টাকা এবং চীন সরকারের অর্থ সহায়তা পাঁচ হাজার নয়শত তের কোটি ঊনিশ লক্ষ টাকা।

দু’টি টিউব সম্বলিত মূল টানেলটির দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৪ কিলোমিটার এবং টানেলের পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্তে ৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক এবং ৭২৭ মিটার ওভার ব্রিজ।

মহানগরীর এবং মডেল শহর দেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, এশিয়ান হাইওয়ে নেটওয়ার্কে সংযুক্তির উদ্দেশ্যে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে তরূন প্রজন্মের স্বপ্নের টানেল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল। টানেলটি চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলাকে শহরাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করবে।

প্রকল্পটির সার্বিক অগ্রগতি শতকরা ৩২ ভাগ এবং ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম শহরকে বাইপাস করে সরাসরি কক্সবাজারের সঙ্গে সহজ যোগাযোগ স্থাপিত হবে। এতে চট্টগ্রাম শহরের যানজট কমাসহ যাতায়াতের সময় অনেকাংশে কমে যাবে।