English Version
আপডেট : ২৮ জানুয়ারি, ২০১৯ ১৭:৪৬
সূত্র:

ইপিজেড শ্রম ও জাহাজ সুরক্ষা আইনের খসড়া অনুমোদন

ইপিজেড শ্রম ও জাহাজ সুরক্ষা আইনের খসড়া অনুমোদন

বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন-২০১৯ এর খসড়ায় চূড়ান্ত ও নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এছাড়া বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ (সুরক্ষা)-২০১৯ এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম জানান, মন্ত্রিসভা বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের বিষয়ে ২০১৮ সালের চতুর্থ ত্রৈমাসিক (অক্টোবর-ডিসেম্বর) প্রতিবেদন মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হয়।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের গত মেয়াদের শেষ সময়ে বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন-২০১৯ এর খসড়াটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপিত হয়েছিল। তবে সেটি আইন হিসেবে পাস করার জন্য যথেষ্ট সময় ছিল না। নতুন মেয়াদে সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা এই আইনটির খসড়ায় চূড়ান্ত ও নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। এর ফলে এই আইনটি পাস করার জন্য এখন সংসদে উত্থাপিত হবে।

এছাড়াও বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ (সুরক্ষা) আইন-২০১৯ এর খসড়াটি ছিল ১৯৮২ সালে তদানীন্তন সামরিক সরকারের জারি করা অধ্যাদেশ। তবে আদালতের নির্দেশ রয়েছে অধ্যাদেশগুলোকে আইনে পরিণত করতে হবে ও বাংলা ভাষায় রূপান্তরিত করতে হবে। সেই বাধ্যবাধকতা থেকেই আগের অধ্যাদেশের সব কাঠামো ঠিক রেখে সামান্য পরিবর্তন করে আইনে পরিণত করার জন্য এর খসড়া উপস্থাপিত হয়েছে মন্ত্রিসভায়। মন্ত্রিসভা এই আইনের খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও জানান, ৩ মাসে মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়েছে ৯টি। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ৮৩টি। বাস্তবায়ন হয়েছে ৫৬টি। বাস্তবায়নাধীন সিদ্ধান্ত হচ্ছে ২৭টি। অনুমোদিত নীতি ও কৌশল নেওয়া হয়েছে ৭টি। এমওইউ স্বাক্ষর হয়েছে ৫টি এবং সংসদে আইন পাস হয়েছে ১৯টি।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আজ সকাল ১০টায় নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার দ্বিতীয় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করেন।