English Version
আপডেট : ৯ জুলাই, ২০১৮ ১০:৪৬

৬৬১ কোটি টাকা পাচ্ছেন গাজীপুরের নতুন মেয়র

অনলাইন ডেস্ক
৬৬১ কোটি টাকা পাচ্ছেন গাজীপুরের নতুন মেয়র

নির্বাচন শেষ হতে না হতেই ৬৬০ কোটি ৮২ লাখ টাকার প্রকল্প পাচ্ছেন গাজীপুরের নতুন মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলম। যানজট ও জলাবদ্ধতা নিরসনে এ প্রকল্পটি হাতে নিচ্ছে গাজীপুর সিটি করপোরেশন (জিসিসি)।     

যদিও প্রকল্পটির প্রক্রিয়াকরণ শুরু হয়েছে অনেক আগেই। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন (রাস্তা ও ড্রেন) নামের একটি প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে পরিকল্পনা কমিশনে।

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে এটি উপস্থাপনের কথা রয়েছে। অনুমোদন পেলে চলতি বছর থেকে ২০২০ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, ২০১৩ সালে গাজীপুর ও টঙ্গী পৌরসভা এবং ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে নতুন এ সিটি কর্পোরেশনটি নির্মাণ করা হয়। এ সিটির ওয়ার্ড সংখ্যা ৫৭টি যা ৫টি জোনে বিভক্ত। বর্তমানে এ সিটির আয়তন ৩৩০ বর্গ কিলোমিটার। যার মধ্যে পূর্বের গাজীপুর ও টঙ্গী পৌরসভা এলাকা ২৪৫ বর্গ কিলোমিটার এবং বাকি নতুন ৬টি ইউনিয়নের আয়তন ৮৫ বর্গ কিলোমিটার। এ সিটিতে যুক্ত হওয়া নবযুক্ত এলাকাগুলো খুবই অনুন্নত। নতুনভাবে সংযুক্ত এলাকার বেশিরভাগ রাস্তা কাঁচা।

বর্তমানে এ সিটির বেশিরভাগ সড়কগুলো প্রশস্ত কম হওয়ায় যানজট লেগেই থাকে। তাছাড়া বর্ষাকালে বিদ্যমান রাস্তাগুলো দিয়ে যানবাহন চলাচলে বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়। ঢাকার পার্শ্ববর্তী এ সিটির ড্রেনেজ ব্যবস্থাও অত্যান্ত খারাপ হওয়ায় প্রতিনিয়তই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। এজন্য বিদ্যমান রাস্তা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের কর্মকর্তারা ব্রেজানান, প্রস্তাবিত প্রকল্পটি অনুমোদিত হলে নবগঠিত গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত এলাকার নতুন সড়ক নির্মাণ ও বিদ্যমান সড়ক প্রশস্তকরণ এবং ড্রেন নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পর বাণিজ্যিক এ এলাকার যানজট হ্রাসের মাধ্যমে জনসাধারণের চলাচল, পণ্য পরিবহন সহজতর হবে। মূলত দেশের অন্য সিটিগুলো থেকে ঢাকার পার্শ্ববর্তী গাজীপুর সিটি অনেকটাই পিছিয়ে আছে। সেজন্যই এ প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।