English Version
আপডেট : ২৬ মার্চ, ২০১৮ ১৪:১২

‘২০৪১ সালে দক্ষিণ এশিয়ার উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হবে বাংলাদেশ’

অনলাইন ডেস্ক
‘২০৪১ সালে দক্ষিণ এশিয়ার উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হবে বাংলাদেশ’

২০৪১ সালে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে মাথা তুলে দাঁড়াবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ সোমবার সকালে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে জাতীয় শিশু কিশোর সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

এসময় তিনি বলেন, আমরা কারো কাছে হাত পেতে নয়, মাথা নত করে নয়, আমরা মর্যাদার সাথে বিশ্বে চলবো। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। আমাদের লক্ষ্য বাংলাদেশকে বিশ্বসভায় মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করা।

শিক্ষক-অভিভাবকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিশুরা যেন সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদকাসক্তের দিকে না যায় সেদিকে সবার দৃষ্টি দিতে হবে। আজকের শিশুই আগামী দিনে দেশ পরিচালনা করবে। ওরাই একদিন এ দেশের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতার লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশের সব মানুষ উন্নত জীবন পাবে। ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়ে তোলা হবে। সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী শিশুদের উদ্দেশে বলেন,  তোমরা লেখাপড়া শিখে মানুষের মতো মানুষ হবে। দেশকে গভীরভাবে ভালোবাসবে। আমরা যেখানে রেখে যাব তোমরা সেখান থেকে দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তোমাদের ভবিষ্যত যাতে সুন্দর হয় সেই কামনাই আমরা করি।

তিনি আরও বলেন,  মনে রাখবে, আমরা মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী জাতি। সেই বিজয়ী জাতির উত্তরসুরী তোমরা। তোমরাই দেশকে গড়ে তুলবে। বাবা-মায়ের মুখ উজ্জ্বল করবে। শিক্ষকদের কথা মেনে চলবে। আর এই দেশকে গভীরভাবে ভালবাসবে।

এর আগে জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদীতে প্রথমে রাষ্ট্রপতি এবং পরে প্রধানমন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

এ সময় ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে কয়েক মিনিট নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তারা। এ সময় বিউগলে করুণ সুর বাজানো হয় এবং সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল অভিবাদন জানায়।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সর্বস্তরে মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য জাতীয় স্মৃতিসৌধ উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। এরপর স্মৃতিসৌধে মানুষের ঢল নামে।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন।