English Version
আপডেট : ২১ মার্চ, ২০১৮ ১৩:৫১

প্রধানমন্ত্রীর আগমনে উৎসবমুখর চট্টগ্রাম

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীর আগমনে উৎসবমুখর চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। বুধবার বেলা সাড়ে ১০ টায় হেলিকপ্টার যোগে তিনি চট্টগ্রাম যান। এরপর সকালে ১১ টা ২০ মিনিটে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একাডেমিতে যান। এসময় নেভাল অ্যাকাডিম বঙ্গবন্ধু কমপ্লেএক্সের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। 

বিকেল ৩ টায় চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার পটিয়া আদর্শ স্কুল মাঠে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় তিনি ভাষণ দেবেন। এখানে ৪১টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার কথা রয়েছে। 

এদিকে প্রাধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে চট্টগ্রাম নগরী থেকে পটিয়া পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে নানা রঙের পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন লাগানো হয়েছে। অসংখ্য তোরণ তৈরি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠন এবং বিভিন্ন স্তরের লোকজনের মধ্যে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। 

প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন যেসব প্রকল্প:

মুরাদপুর, ২নং গেইট এবং জিইসি মোড় জংশনে আক্তারুজ্জামান চৌধুরী ফ্লাইওভার, চট্টগ্রাম জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমপ্লেক্স ভবন; কালুরঘাট-মনসারটেক জাতীয় মহাসড়কে (এন-১০৭) মিলিটারি সেতু; পটিয়া-চন্দনাইশ-বৈলতলী সড়কে খোদারহাট সেতু উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

কোতয়ালি থানায় মহিলা সমিতি স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও চান্দগাঁওয়ে হাজেরা তজু ডিগ্রি কলেজ পাঁচ তলা একাডেমিক ভবন এবং পটিয়ায় খলিল মীর ডিগ্রি কলেজ, পশ্চিম বাঁশখালী উপকূলীয় ডিগ্রি কলেজ, ফটিকছড়ির হেয়াকো বনানী কলেজ, রাঙ্গুনিয়া মহিলা কলেজ ও মিরসরাইয়ে প্রফেসর কামাল উদ্দীন চৌধুরী কলেজে চার তলা একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন করা হবে।

নাজিরহাট মাইজভাণ্ডার সড়ক এবং পটিয়ার দক্ষিণভূর্ষিতে শেখ রাসেল ভাস্কর্য ও শেখ রাসেল মঞ্চও উদ্বোধন করা হবে।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন:

চট্টগ্রাম শহরে লালখান বাজার হতে শাহ আমানত বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রসেওয়ে, কর্ণফুলী নদীর তীর বরাবর কালুরঘাট সেতু হতে চাক্তাই খাল পর্যন্ত  সড়ক, চট্টগ্রাম শহররের জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল পুনঃখনন সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়নের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

এর বাইরে চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া উপজলোর সাঙ্গু ও ডলু নদীর তীর সংরক্ষণ প্রকল্প; কর্ণফুলী নদীর সদরঘাট হতে বাকলিয়ার চর পর্যন্ত ড্রেজিং প্রকল্পও শুরু করবেন প্রধানমন্ত্রী।

অনন্যা ৩৩/১১ কেভি, ২০/২৬ এমভিএ নতুন জিআইএস উপকেন্দ্র নির্মাণ; কল্পলোক  ৩৩/১১ কেভি, ২০/২৬ এমভিএ নতুন জিআইএস উপকেন্দ্র নির্মাণ; মাইজ্জারটেক  ৩৩/১১ কেভি, ২০/২৬ এমভিএ নতুন জিআইএস উপকেন্দ্র নির্মাণ; রহমতগঞ্জ ৩৩/১১ কেভি, ২০/২৬ এমভিএ নতুন জিআইএস উপকেন্দ্র নির্মাণ; এফআইডিসি কালুরঘাট ৩৩/১১ কেভি, ২০/২৬ এমভিএ নতুন জিআইএস উপকেন্দ্র নির্মাণ; অক্সিজেন ৩৩/১১ কেভি, ২০/২৬ এমভিএ নতুন জিআইএস উপকেন্দ্র নির্মাণ; কাট্টলী ৩৩/১১ কেভি, ২০/২৬ এমভিএ নতুন জিআইএস উপকেন্দ্র নির্মাণ; মনছুরাবাদ ৩৩/১১ কেভি, ২০/২৬ এমভিএ নতুন জিআইএস উপকেন্দ্র নির্মাণেরও উদ্বোধন হবে।

চট্টগ্রাম জেলার জরাজীর্ণ ও সংকীর্ণ কালারপোল-ওহিদিয়া সেতুর স্থলে ১৮০ মিটার সেতু নির্মাণ; কেরানীহাট-সাতকানিয়া-গুনাগরী জেলা মহাসড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন; পটিয়া-আনোয়ারা-বাঁশখালী টইটং আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন; বড়তাকিয়া (আবু তোরাব) থেকে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল সংযোগ সড়ক; বারৈয়ারহাট (চট্টগ্রাম জোন) হেঁয়াকো-নারায়নহাট-ফটিকছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রশস্থকরণ ও উন্নয়ন; পটিয়া উপজলোর রাজঘাটা শ্রীমাই খালের উপর সেতু; ফটকিছড়ি উপজলোর নাজরিহাট-কাজরিহাট সড়কে খালের উপর ৫৪ মিটার সেতু নির্মাণেরও ভিত্তি স্থাপন করা হবে।

পটিয়া পিটিআই এর একাডেমিক ভবন; সীতাকুণ্ড টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ডবলমুরিংয়ে আগ্রাবাদ মহিলা কলেজ ও পোস্তারপাড় আছমা খাতুন সিটি করপোরেশন মহিলা কলেটে পাঁচ তলা একাডেমিক ভবন নির্মাণ; খুলশীতে সরকারি মহিলা কলেজে ১০০ শয্যা ছাত্রী নিবাসের নির্মাণ কাজেরও ভিত্তি স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

বাকি প্রকল্পগুলো হলো চট্টগ্রাম মুসলিম ইনস্টিটিউট সাংস্কৃতিক কমপ্লক্সে স্থাপন; পটিয়া পৌর মাল্টি পারপাস কিচেন মার্কেট নির্মাণ; হর্টিকালচার সেন্টার এবং পটিয়ায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন।