English Version
আপডেট : ৩ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৮:৫৯

বর্তমান মন্ত্রীসভায় যত রদবদল

অনলাইন ডেস্ক
বর্তমান মন্ত্রীসভায় যত রদবদল

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের মন্ত্রীসভায় এর আগেও বেশ কয়েকবার ছোটখাটো রদবদল করা হয়েছে। আর সরকারের মেয়াদের চতুর্থ বছরে এসে আজ বুধবার সর্বশেষ রদবদল করা হল। গত ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর ১২ জানুয়ারি শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান হয়। ওই দিন ৪৯ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করে এই সরকারের যাত্রা শুরু হয়েছিল; যার মধ্যে ২৯ জন মন্ত্রী, ১৭ জন প্রতিমন্ত্রী ও দু'জন উপমন্ত্রী। এর দেড় মাসের মাথায় এ এইচ মাহমুদ আলী মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম হিরু পান প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব। এদিকে ইসলাম ও হজ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য অক্টোবরে মন্ত্রিত্ব খোয়ান আবদুল লতিফ সিদ্দিকী। ২০১৫ সালের ৯ জুলাই আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী করা হয়। প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে দেওয়া হয় স্থানীয় সরকারের দায়িত্ব। পরের সপ্তাহে চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল ইসলাম বিএসসিকে মন্ত্রী এবং অ্যাডভোকেট তারানা হালিম ও নুরুজ্জামান আহমেদকে প্রতিমন্ত্রী করা হয়। ওই দিন মন্ত্রী হিসেবে পদোন্নতি পান আসাদুজ্জামান খান কামাল ও স্থপতি ইয়াফেস ওসমান। এর দু'দিন পর ২০১৫ সালের ১৬ জুলাই সৈয়দ আশরাফকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০১৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সমাজকল্যাণমন্ত্রী সৈয়দ মহসীন আলী। ওই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট প্রমোদ মানকিন ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ২০১৬ সালের ১১ মে। এরপর ২০১৬ সালের ১৯ জুন খাদ্য থেকে প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদকে পাঠানো হয় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে।  অপরদিকে গত ১৬ ডিসেম্বর মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী ছায়েদুল হকের মৃত্যুর পর মন্ত্রীসভায় আজ সর্বশেষ রদবদল করা হল। নতুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেয়া এ কে এম শাহজাহান কামালকে দেওয়া হয়েছে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। আর বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেননকে সমাজকল্যাণমন্ত্রী করা হয়েছে।  পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদকে পরিবেশ ও বনমন্ত্রী করা হয়েছে। আর এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থাকা আনোয়ার হোসেন মঞ্জুকে করা হয়েছে পানিসম্পদমন্ত্রী। নতুন টেকনোক্র্যাক্ট মন্ত্রী মোস্তফা জব্বারকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আর প্রতিমন্ত্রী থেকে মন্ত্রী হওয়া নারায়ণ চন্দ্র চন্দকে যথারীতি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করা হয়েছে।  নতুন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া কাজী কেরামত আলীকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। আর ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমকে তথ্য প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। পূর্ণমন্ত্রীর কাজ করে যাওয়া সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ পালন করবেন নিজ দায়িত্ব।