English Version
আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ২২:২২

স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল বিল পাস

অনলাইন ডেস্ক
স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল বিল পাস

অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্তদের বাজার দরের চেয়ে সর্বোচ্চ ৩০০ গুণ বেশী ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিধান করে জাতীয় সংসদে স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল বিল-২০১৭ পাস করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন। বিলে স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণের জন্য প্রাথমিক নোটিশ জারি, অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে আপত্তি, অধিগ্রহণ বিষয় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট, ব্যক্তিকে নোটিশ প্রদান, জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে রোয়েদাদ প্রস্তুত, ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিবেচনা, ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে বিবেচ্য বিষয়, ক্ষতিপূরণ প্রদান, বর্গাদারকে ক্ষতিপূরণ, অধিগ্রহণ এবং দখল গ্রহণ, অধিগ্রহণ কার্যক্রম, বাতিল বা প্রত্যাহার, বেসরকারি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ, অধিগ্রহণকৃত জমি, বেসরকারি প্রত্যাশি ব্যক্তি বা সংস্থার কাছে হস্তান্তর, ক্ষতিপূরণের অর্থ পুনরুদ্ধার, অধিগ্রহণকৃত স্থাবর সম্পত্তি ব্যবহারসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সুনির্দিষ্ট বিধান করা হয়েছে। বিলে এছাড়া স্থাবর সম্পত্তি হুকুম দখলের বিষয়ও সুনির্দিষ্ট বিধান করা হয়েছে।বিলে সম্পত্তি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষেত্র বিশেষ বাজার দরের চেয়ে যথাক্রমে ১০০, ২০০ ও ৩০০ ভাগ প্রদানের বিধান করা হয়েছে। বিলে হুকুম দখল আদেশ সংশোধন, জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে রোয়েদাদ প্রস্তুত, ক্ষতিপূরণ প্রদান, বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যক্তির নিকট থেকে অর্থ আদায়, হুকম দখলকৃত স্থাবর সম্পত্তি রক্ষণা-বেক্ষণ, হুকুম দখল অবমুক্তকরণ, বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে উচ্ছেদসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিধান করা হয়েছে। বিলে ক্যান্টনমেন্ট এলাকার সীমানার মধ্যে অবস্থিত কোন স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে এ সব বিধান প্রযোজ্য হবে না বলে বিধান করা হয়েছে। বিলে হুকুম দখল ও অধিগ্রহণ বিষয়ে আরবিট্রেটর নিয়োগ, আরবিট্রেটরের নিকট আবেদন, শুনানির নোটিশ, ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে আরবিট্রেটরের কর্মপদ্ধতি, আরবিট্রেটরের পক্ষ থেকে কার্যকৃত রোয়েদাদ, মামলার ব্যয়, ধার্যকৃত রোয়েদাদের বিরুদ্ধে আপিল, অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিধান করা হয়েছে। বিলে স্থাবর সম্পত্তি অধিকগ্রহণ ও হুকুম দখল অধ্যাদেশ ১৯৮২ রহিত করা হয়েছে। জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমাম, নূরুল ইসলাম ওমর, নূরুল ইসলাম মিলন, বেগম রওশন আরা মান্নান ও স্বতন্ত্র সদস্য রুস্তম আলী ফরাজী বিলের ওপর জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও সংশোধনী প্রস্তাব আনলে তা কন্ঠ ভোটে নাকচ হয়ে যায়।