English Version
আপডেট : ২৮ আগস্ট, ২০১৭ ০৬:৫৮

নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্মার্ট কার্ড ছাপানো শুরু

অনলাইন ডেস্ক
নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্মার্ট কার্ড ছাপানো শুরু

কমিশনের নিজস্ব জনবল দিয়ে আজ রোববার থেকে স্মার্ট কার্ড ছাপানোর কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে এদিন দুপুরে কমিশন সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি। চুক্তি অনুযায়ী ফ্রান্সের কোম্পানি অবার্থু’র কাজ করতে না পারায় একমাসের মতো স্মার্ট কার্ড প্রিন্ট বন্ধ ছিল। ইসি ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, নির্বাচন কমিশন স্মার্ট কার্ড প্রিন্টের কাজ নিজেই করছে। আজ থেকেই এর কাজ শুরু হয়েছে। স্মার্ট কার্ডের ব্ল্যাঙ্ক কার্ড কোথা থেকে আমদানি করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের কাছে ৭৭ দশকিম ৫ মিলিয়ন কার্ড আছে। সেগুলো দিয়েই আমরা প্রিন্টের কাজ আপাতত চালিয়ে যাবো। এক প্রশ্নের জবাবে ইসি ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, গত জুনের ৩০ তারিখে তাদের সাথে চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। নির্বাচন কমিশন তাদের সাথে এ চুক্তি আর নবায়ন করেনি। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাদের সাথে আমাদের টাকা পয়সার যে লেনদেন আছে, আইনী যে বিষয়গুলো আছে, সেগুলো একজন আইনজীবীকে দিয়ে যাচাই-বাছাই করে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কমিশন সভায় স্মার্ট কার্ডের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানতে চাইলে ইসি ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, স্মার্টকার্ড বিরতণের জন্য চোখের আইরিশ এবং দশ আঙুলের ছাপ নেওয়ার যে মেশিন সেটি কেনার জন্য অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। এ ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি উপজেলার জন্য একটি করে আইরিশ এবং একটি করে ফিঙ্গার প্রিন্ট মেশিন কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ইসি সূত্র জানায়, বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় দেশের সকল নাগরিকের হাতে স্মার্ট কার্ড তুলে দেওয়ার জন্য ২০১১ সালে ‘আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম ফর এনহ্যান্সিং এক্সেস টু সার্ভিস’ (আইডিইএ) প্রকল্প হাতে নেয় সাংবিধানিক এ প্রতিষ্ঠানটি। ২০১৫ সালের ১৪ জানুয়ারি ১৮ মাসের মধ্যে ৯০ মিলিয়ন (৯ কোটি) স্মার্ট কার্ড তৈরি করে দেওয়ার জন্য ফ্রান্সের ‘অবার্থু’র টেকনোলজিস’ নামের একটি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করে ইসি। চুক্তি অনুযায়ী ২০১৬ সালের জুনের মধ্যে নাগরিকের হাতে স্মার্ট কার্ড দেওয়ার কথা ছিল ইসির। কিন্তু সময় মতো না দিতে পারার আশঙ্কায় ইসি মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ব্যয় না বাড়ানোর শর্তে এ প্রকল্পের  মেয়াদ আরো ১৮ মাস বাড়িয়ে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় নেয়। ইসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে ১০ কোটি ১৮ লাখের মতো ভোটার রয়েছে। প্রথম থেকে এনআইডি সংশোধন বা হারানো সেবা বিনামূল্যে দেওয়া হলেও ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ফি নেওয়া শুরু করে কমিশন।