English Version
আপডেট : ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৬ ১৫:০৯

স্কটল্যান্ডের কমিউনিটি কাউন্সিলর হলেন বাংলাদেশি মিরন

অনলাইন ডেস্ক
স্কটল্যান্ডের কমিউনিটি কাউন্সিলর হলেন বাংলাদেশি মিরন

স্কটল্যান্ডের রাজধানী এডেনবড়ায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কমিউনিটি কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জের সন্তান আ স ম মিরন।  

সম্প্রতি লিথ লিনক কমিউনিটিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এই বিজয় লাভ করেন তিনি। নির্বাচনে ১২টি পদের বিপরীতে ১৭জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করেন।

আ স ম মিরনসহ নির্বাচিত কাউন্সিলরদেরকে গত ৩ ডিসেম্বর এডেনবড়ার এক জাকজমকপূর্ণ সংবর্ধনা প্রদান করেন সিটি অফ এডেনবড়ার কমিউনিটি ও নেভারহুড কমিটির কনভেনর মেরি চাইল্ড। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

নবনির্বাচিত কমিউিনিটি কাউন্সলর আ স ম মিরন গণমাধ্যম-কে জানান, স্কটল্যান্ডের মূলধারার রাজনীতি বা সামাজিক কাঠামোতে বাংলাদেশী কমিউনিটির উল্লেখযোগ্য অংশ গ্রহণ নেই। এই প্রথমবারের মতো কোনো বাংলাদেশী এ নির্বাচনে জয়ী হয়েছে।

তিনি জানান, এমপি কিংবা স্কটিশ পালামেন্ট নির্বাচনে কোনো স্কটিশ বাংলাদেশীর প্রার্থীর অংশ গ্রহণ নেই। এতে স্কটিশ বাংলাদেশীদের কোনো সমস্যা সরকারের কাছে তুলে ধরা কঠিন হয়ে পড়ে। এ সমস্যা সমাধানের লক্ষেই তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন বলে জানান।

আ স ম মিরনের জন্ম কিশোরগঞ্জ শহরের গাইটাল বাগানবাড়ীতে। তিনি কৈশোর থেকেই সমাজসেবায় অবদান রেখেছেন তিনি। ১৯৮৮ সালে বন্যার সময় ব্রাইট ক্লাব গাইটালের সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। 

কিশোরগঞ্জ থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা শেষে তিনি রাজধানী ঢাকার রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েশান সম্পন্ন করেন।

১৯৯৫ সালে কম্পিউটার বিজ্ঞানে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের জন্যে তিনি ভারতের পুনায় যান। ২০০০ সালে এম বি এ পাশ করে পাড়ি জমান স্কটল্যান্ডে।

এরপর ২০০৭ সালে ব্রিটিশ বাংলা জয়েন্ট ভেঞ্জার কোম্পানির ব্রিটিনিয়া প্রপারটিসের ঢাকা অফিসের এজিএম হিসেবে যোগ দেন আ স ম মিরন। ২০০৮ সালে তিনি কিশোরগঞ্জ সদর আসন থেকে এলডিপির দলীয় মনোনয়ন লাভ করেন। কিন্তু নির্বাচন না হওয়ায় তিনি আবারও পাড়ি জমান ব্রিটেনের স্কটল্যান্ডে। ২০১৩ সালে তিনি স্কটল্যান্ডের ক্ষমতাসীন দল স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির সদস্য পদ লাভ করেন।

২০১৪ সালে আ স ম মিরন স্কটল্যান্ডে এস এন পি বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।