English Version
আপডেট : ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬ ১৩:৩৩

জুয়া খেলায় নিষেধাজ্ঞা ৮ সপ্তাহ স্থগিত

অনলাইন ডেস্ক
জুয়া খেলায় নিষেধাজ্ঞা ৮ সপ্তাহ স্থগিত

রাজধানীর ঢাকা ক্লাবসহ দেশের ১৩টি নামিদামী ক্লাবে জুয়া খেলার ওপর হাইকোর্টের দেয়া নিষেধাজ্ঞা আট সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। রোববার সকালে ঢাকা ক্লাবের লিভ টু আপিলের শুনানি নিয়ে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির বেঞ্চ এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে এই সময়ের মধ্যে এ সংক্রান্ত রুল নিষ্পত্তি করতে উভয় পক্ষকে নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ।     এর আগে গত ৮ ডিসেম্বর ঢাকা ক্লাব, গুলশান ক্লাবসহ দেশের ১৩টি নামিদামী ক্লাবে জুয়া খেলার ওপর হাইকোর্টের দেয়া নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। তখন ঢাকা ক্লাব কর্তৃপক্ষকে রোববারের মধ্যে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত।     নির্দেশ অনুসারে ঢাকা ক্লাব কর্তৃপক্ষ আজ লিভ টু আপিল করলে এ বিষয়ে শুনানি নিয়ে ৮ সপ্তাহের জন্য হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করলেন আদালত। রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এএফ হাসান আরিফ। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী রেদোয়ান আহমেদ।     এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর ঢাকা ক্লাবসহ দেশের ১৩টি নামিদামী ক্লাবে জুয়া জাতীয় খেলার ওপর অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা দেন হাইকোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সামিউল হক ও অ্যাডভোকেট রোকন উদ্দিন মো. ফারুকের জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেয়া হয়।   একই সঙ্গে জুয়া জাতীয় অবৈধ ইনডোর গেম যেমন: কার্ড, ডাইস ও হাউজি খেলা অথবা এমন কোনো খেলা যেখানে টাকা বা অন্য কোনো বিনিময় হয়ে থাকে তার আয়োজকদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়। স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক, পুলিশ কমিশনার ঢাকা, খুলনা ও সিলেট এবং র‌্যাবের মহাপরিচালক, জেলা প্রশাসক ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট ও নারায়ণগঞ্জকে নির্দেশনা বাস্তবায়ন ও রুলের জবাব দিতে বলা হয়।   ক্লাবগুলো হল, ঢাকা ক্লাব লিমিটেড, উত্তরা ক্লাব, গুলশান ক্লাব, ধানমণ্ডি ক্লাব, বনানী ক্লাব, অফিসার্স ক্লাব ঢাকা, ঢাকা লেডিস ক্লাব, ক্যাডেট কলেজ ক্লাব গুলশান, চিটাগাং ক্লাব, চিটাগাং সিনিয়র্স ক্লাব, নারায়ণঞ্জ ক্লাব ও খুলনা ক্লাব।   হাইকোর্টের আদেশের পর আবেদনের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার রেদোয়ান আহমেদ রানজিব জানিয়েছিলেন, ঢাকা মেট্রোপলিন পুলিশ অধ্যাদেশ ১৯৭৬, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশ ১৯৭৮ এবং পাবলিক গেম্বলিং অ্যাক্ট ১৮৬৭ অনুযায়ী কোনো প্রকার জুয়া খেলা দণ্ডনীয় অপরাধ।   একই সঙ্গে সংবিধানের ১৮ (২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারকে পতিতাবৃত্তি ও জুয়া খেলা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা বলা হয়েছে। এসব যুক্তিতে রিটটি দায়ের করা হয়।