English Version
আপডেট : ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১২:৩৩

লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়

কামরুজ্জামান
লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়

ঈদ আযহা উপলক্ষে ঢাকা থেকে ভোলায় আসতে যাত্রীবাহি লঞ্চগুলোতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। লঞ্চের সংকট না থাকলেও সরকারী ভাড়ার দোহাই দিয়ে এবারের ঈদে অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছে লঞ্চ মালিকরা।

এরই মধ্যে  কেবিনে ৫শত থেকে ১হাজার ও ডেকে ১শত থেকে ২শত টাকা বেশি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠছে।

ঢাকা-বরিশার নৌযান রুট কমিটির সদস্য সচিব ছিদ্দিকুর রহমান পাটাওয়ারী বলেন, সম্পতি সভা করে বিআইডব্লিউটিএ নির্ধারিত ভাড়া নেওয়াসহ নানা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঈদে কেন ভাড়ার নতুন রেট এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তারা ঈদে বিআইডব্লিউটিএর নির্ধারিত ভাড়া নিচ্ছেন। সারা বছরেই তো  যাত্রীদের সুবিধা দেওয়া হয়। ঈদের  সময় উচিৎ যাত্রীদের লঞ্চ মালিকদের উপকার করা।

জানা যায়, সরকারী নির্ধারিত ভাড়ার দোহাই দিয়ে বৃহম্পতিবার (৮ সেপ্টেস্বর) থেকে ডেকের ভাড়া ২৫০টাকা স্থলে ৩৫০টাকা নেওয়া হচ্ছে। সিঙ্গেল কেবিন ৮শ টাকার পরিবর্তে ঈদ উপলক্ষে নির্ধারন করা হয়েছে ১২শ টাকা। ডাবল কেবিন ১৬শ টাকার পরিবর্তে নতুন রেট  নির্ধারন করা হয়েছে ২৪শ টাকা। এছাড়া ভিআইপি কেবিন ৪ হাজার টাকার স্থলে নতুন রেট করা হয়েছে ৫ হাজার টাকা।

ঢাকা থেকে  সাব্বির-২ লঞ্চে ভোলায় শুক্রবার আসা কেবিনের যাত্রী ব্যাংক কর্মকর্তা  মাকসুদুর রহমান বলেন, এটা লঞ্চ মালিকদের খামখেয়ালী। ঈদ এলেই তারা যাাত্রীদের জিম্মি করে কেবিন ও ডেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে।

সাব্বির-২ লঞ্চের কেবিনের দায়িত্বে থাকা রাজিব বলেন, কোম্পানির ঈদ উপলক্ষে নতুন করে ভাড়ার যে রেট করেছে তাই আমরা নিচ্ছি।

এদিকে ঢাকা-ভোলা কয়েকটি রুটের লঞ্চ স্টাফদের সাথে আলাপকালে তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,ঈদ উপলক্ষে মালিকরা (কোম্পানি) নতুন করে ভাড়া নির্ধারন করে দিয়েছে। সে ভাড়াই যাত্রীদের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে।

এব্যাপারে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) বরিশাল নৌ-বন্দর ও পরিবহন বিভাগের যুগ্ন পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, লঞ্চ মালিকরা ঈদ উপলক্ষে বেশি ভাড়া নেয় এটা সঠিক নয়। মুলত, স্বাভাবিক সময় সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে কম নেয়। কিন্তু ঈদের সময় সরকারী ভাবে নির্ধারিত ভাড়াই নিয়ে থাকে।