English Version
আপডেট : ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১১:১০

সামান্য কথা কাটাকাটিতে ১৪টি কোপ

অনলাইন ডেস্ক
সামান্য কথা কাটাকাটিতে ১৪টি কোপ

এ কেমন বর্বরতা। সামান্য কথা কাটাকাটির জের ধরে মানুষ এভাবে বর্বরভাবে কুড়াল দিয়ে কোপাতে পারে? প্রত্যদর্শীদের বর্ণনামতে, একটি বা দুটি নয়, শরীরের বিভিন্ন অংশে ১৪টি কোপ রয়েছে। আর এসবক কোপ চাইনিজ কুড়াল ও কাঠ কাটার কাজে ব্যবহৃত কুড়ালের কোপ।

আশংকাজনক অবস্থায় বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

জানা যায়, ঘটনায় মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টায় কালিয়া থানায় মামলা হয়েছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৯টার দিকে নড়াইলের কালিয়া উপজেলার চাঁচুড়ি ইউনিয়নের লাঙ্গুলিয়া গ্রামের ওমর শেখের ছেলে মাহাবুবুর রহমান শেখ (৩৮) পাশ্ববর্তী বাড়িতে মসজিদের ঈমামের টাকা চাইতে যান।

এ নিয়ে প্রতিবেশি পরিবারের সদস্যদের বাকতিন্ডতার সৃষ্টি হয়। এক পযায়ে প্রতিবেশি জামির, ফসিয়ার, কালাম শেখ, তোতা শেখসহ কয়েকজন মাহাবুরের ওপর চড়াও হয় এবং ঘরে থাকা চাইনিজ কুড়াল ও গাছ কাটা কুড়াল দিয়ে বেপরোয়াভাবে কোপাতে থাকে।

প্রত্যদর্শী চাঁচুড়ি বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মো. আশরাফুজ্জামান জানান, মাহাবুরের শরীরের ১৪টি কোপ রয়েছে। সর্বশেষ কোপটি দেওয়ার পর কুড়াল তার শরীরে মাংসের মধ্যে আটকে গেলে বের করতে পারেনি।  মাহাবুরের পরিবারের সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে রাত ১১টার দিকে মাহাবুরকে নড়াইল সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাপসাতালে স্থানান্তর করেন জরুরী বিভাগে কর্তরত চিকিৎসক।

খুুলনা মেডিকেলে নেওয়ার পর রাতেই তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। অস্ত্রোপচারের পর কিছুটা সুস্থ্য বলে মনে হয়েছে। এদিকে এ ঘটনায় আহতের ভাই প্রফেসর আলী আকবর শেখ বাদী হয়ে কালিয়া থানায় মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে মামলা দায়ের করেছেন।

কালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল গণি জানান, আহতের ভাই আলী আকবর শেখ বাদী হয়ে  নয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনাম ৩/৪জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং-০৪ তারিখ-০৬/০৯/১৬। আসামীদের গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চলছে।