English Version
আপডেট : ১০ আগস্ট, ২০১৬ ১৩:৫৬

সাখাওয়াতের মৃত্যুদণ্ড, ৭ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
সাখাওয়াতের মৃত্যুদণ্ড, ৭ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জাতীয় পার্টির নেতা সাখাওয়াত হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড ও ৭ জনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বিচারপতি মো. আনোয়ারুল হকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন। বুধবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে এ রায় পড়া শুরু হয়। সাখাওয়াত ছাড়া বাকি ৭ আসামি হলেন- মো. বিল্লাল হোসেন বিশ্বাস, মো. ইব্রাহিম হোসাইন, শেখ মো. মজিবুর রহমান, এম এ আজিজ সরদার, আব্দুল আজিজ সরদার, কাজী ওহিদুল ইসলাম ও মো. আব্দুল খালেক। এদের মধ্যে  সাখাওয়াত ও বিল্লাল আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বাকি ৬ জনকে পলাতক দেখিয়ে এ মামলার বিচার কাজ চলে। এ মামলায় অভিযুক্ত আরেক আসামি মো. লুৎফর মোড়ল কারাবন্দি থাকা অবস্থায় অসুস্থ হয়ে মারা যান। গত ১৪ জুলাই উভয় পক্ষের চূড়ান্ত যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলা রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছিল। মঙ্গলবার বিচারপতি আনোয়ারুল হকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল রায়ের দিন ধার্য করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় সাখাওয়াত হোসেনসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা, অপহরণ, আটক, নির্যাতন, ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচ ধরনের অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ধর্ষণের একটি, অপহরণ করে হত্যার দুটি, অপহরণ, আটক, নির্যাতন ও অগ্নিসংযোগের দুটি অভিযোগ। গত ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ট্রাইব্যুনালে এ মামলায় সাক্ষ্য নেওয়া শুরু হয়। প্রসিকিউশনের পক্ষে ১৭ সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য দেন। অন্যদিকে, আসামিপক্ষে কোনো সাফাই সাক্ষী ছিল না। গত বছর ২৩ ডিসেম্বর এই নয়জনের বিরুদ্ধে পাঁচ ধরনের অভিযোগ আমলে নিয়ে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। মোট ১২ আসামির মধ্যে তিনজনের বিরুদ্ধে 'অভিযোগের উপাদান' না পাওয়ায় ৮ সেপ্টেম্বর তাদের অব্যাহতি দেন ট্রাইব্যুনাল। ২০১৪ সালের ২৬ নভেম্বর উলি্লখিত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। ২৯ নভেম্বর রাজধানীর উত্তরখান থেকে সাখাওয়াত হোসেনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে কেশবপুরের সারুটিয়া গ্রামের কাবিল হোসেনকে হত্যার অভিযোগে তার মেয়ে হামিদা খাতুন বাদী হয়ে যশোর আমলি আদালতে ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।