English Version
আপডেট : ২৩ জুলাই, ২০১৬ ২০:২৫

বন্যার কারনে সুন্দরগঞ্জের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক
বন্যার কারনে সুন্দরগঞ্জের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্ধ

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় ১৮টি প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ ৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অঘোষিত ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

কয়েক দিনের অবিরাম বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদ-নদীর পানি অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রকাশ কুমার সরকারের সাথে কথা হলে তিনি জানান, তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদ-নদীর পানি বিপদ সীমা ছুই ছুই করছে। যে কোন মুহূর্তে বিপদ সীমা অতিক্রম করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ৬টি ইউনিয়নের ৩০টি চরাঞ্চল প্লাবিত হয়ে প্রায় অর্ধ লক্ষ মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছেন। পানি বন্দি মানুষরা দুর্বিসহ জীবন-যাপন করছেন।

ওই সকল এলাকায় খাদ্য, ওষুধপত্র, বিশুদ্ধ পানীয় জলসহ গো-খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বন্যার পানি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় ১৮টি প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ ৩০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

বিদ্যালয়গুলো হচ্ছে-বোচাগাড়ি ভূইয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উজান বোচাগাড়ি, বোচাগাড়ি, চর কাপাসিয়া, চর ভাটি বুড়াইল, ভাটি কাপাসিয়া, ভাটি বুড়াইল, পাগলার হাট, ভোরের পাখি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

এ নিয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আনোয়ারুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি জানান, বিদ্যালয়গুলোতে বন্যার পানি ঢুকে পরায় সেগুলো অঘোষিত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ায় আরো অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে পড়ছে।

এদিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ হাবিবুল আলম জানায়, শনিবার (২৩ জুলাই) পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের ত্রান তহবিল থেকে পাওয়া ৩শ প্যাকেট চাল, ডাল, তৈলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাবার সামগ্রী কাপাসিয়া ও হরিপুর ইউনিয়নের বন্যা দুর্গতদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নুরুন্নবী সরকার বলেন, বন্যা দুর্গত মানুষের জন্য ৫০ মে. টন চাল ও ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল হওয়ায় অতিরিক্ত বরাদ্দের জন্য চাহিদা পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।